1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়েই ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কলেরা ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে এক বছরের বেশি বয়সিদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা মির্জা ফখরুলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরে, ১ জুলাই থেকে কার্যকর পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নির্ধারিত হবে রোহিঙ্গা সংকট দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে : সেনাপ্রধান

গভীর রাতে কলকাতার হোটেলে চিৎকার করে কেঁদেছি : চঞ্চল চৌধুরী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০২৩
  • ৭৬ Time View

বাবাকে হারিয়ে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন গুণী অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। বাবার স্মৃতি থেকে কোনোভাবেই বের হতে পারছেন না তিনি। যেন বাবাতেই ডুবে আছেন এ অভিনেতা।

প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় বাবার স্মৃতিচারণ করেন চঞ্চল চৌধুরী। বাবাকে নিয়ে তার লেখা বরাবরই নেটিজেনদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় ফেসবুকে বাবার ছবি পোস্ট করে চঞ্চল লিখেছেন, মাত্র দুই-তিন দিন কথা না হলে বাবা টেনশনে পড়ে যেতেন। কত রাগ, কত অভিমান! সেখানে দুই মাস পার হয়ে গেল। কথা নাই, দেখা নাই। নাই কোনো রাগ-অভিমান। বাবা চলে যাওয়ার শোক কাটিয়ে উঠে কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরব, সেটা জানা ছিল না। বাবা নিজেই মনে হয় পরপার থেকে সেই সমাধান করে দিয়েছেন।

তিনি আরও লেখেন, শেষ দুই মাসে কাজ নিয়ে ব্যস্ততা এত বেশি ছিল, যা আমার দুই যুগের অভিনয় অভিজ্ঞতাকে হার মানিয়েছে। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বাই, পুনে ‘পদাতিক’-এর শুটিং। ঢাকার শুটিং। যে ব্যস্ততা শুরু হয়ে গিয়েছিল বাবা চলে যাওয়ার দুই-তিন দিন পর থেকেই।

অভিনেতার ভাষ্য, আমি ভেবেছিলাম কাজের ব্যস্ততা আমাকে বাবার শোক কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। কখনও কখনও কাজের চাপে, বাবা যে নেই তা ভুলেই গেছি। আবার কলকাতা বা মুম্বাইয়ের হোটেলে গভীর রাতে বাবার কথা মনে করে একা একা চিৎকার করে কেঁদেছি। বাবার কাছ থেকে শক্তি নিয়ে কাজগুলো শেষ করার চেষ্টা করেছি।

চঞ্চল বলেন, বাবা চলে যাওয়ার পর ‘পদাতিক’ সিনেমার শুটিং করতে প্রথমবার যেদিন কলকাতা যাই, ফ্লাই করার পর যখন প্লেনটা মেঘের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছিলো, বিশাল আকাশ, মাটি থেকে দূরত্ব বাড়ছে ক্রমাগত। হঠাৎ মনে হলো, বাবা তো মনে হয় এই বিশাল আকাশেই হারিয়ে গেছে। শূন্য আকাশে যতদূর চোখ যায় বাবাকে খুঁজছি। না পেয়ে ঝাপসা চোখে মাথা নিচু করে চোখ বন্ধ করে শুধু কেঁদেছি।

তিনি যোগ করেন, আত্মীয় পরিজন ছেড়ে এই দুই মাসের ব্যস্ততাগুলো একটু একটু কমতে শুরু করেছে। শরীরটাও ক্লান্ত, অবসন্ন। প্রতিদিনের তুলনায় গতকাল একটু আগেই বাসায় ফিরেছিলাম। ঘর ভর্তি বাবার ছবি বাঁধানো। মন ভরে বাবাকে দেখছিলাম আর বাবাকে বলছিলাম, ‘এই কদিন তোমার খবর ঠিকমতো নেওয়া হয়নি বাবা।’ ফোন দিতে কয়েক দিন দেরি হয়ে গেলে, বাবাকে এই কথাগুলোই বলতাম। এখনও বুঝতে পারি না, বাবা কোথায় আছে? মনে হয়, ফোন বেজে উঠবে। ধরলেই ওপাশ থেকে বাবা বলে উঠবে, ‘চঞ্চল, বাবা ভালো আছো?’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ