1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৬৩ কোটি টাকা ‘আত্মসাতের’ অভিযোগ, সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা দেখন বর্মণের আলপনায় যেভাবে বদলে গেল টিকইল গ্রামের পরিচয় টেস্ট সিরিজের ট্রফি উন্মোচন সবুজ সিএনজিতে সবুজ নম্বর প্লেট, অপরাধী ধরতে পুলিশের চোখে অন্ধকার স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানসহ যা আছে বাংলাদেশ-জাপান যৌথ ঘোষণায় বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া এফটিএ আগামী বছরের মধ্যে, ঢাকায় আলোচনা শুরু নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়তি বেতন ১ নভেম্বর, পাবেন না অনেকে ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’—কী এর অর্থ? ৬০ হাজার কর্মীকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব মাইক্রোসফটের

কমে আসছে আমদানি ব্যয়

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২
  • ১৩২ Time View

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্ক অবস্থানের কারণে আমদানি ব্যয় কমে আসার ধারা অব্যাহত রয়েছে।

চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির জন্য এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরিমাণ কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। গত বছর একই সময়ে এলসি খোলার পরিমাণ ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক মঙ্গলবার আমদানি ব্যয়ের যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, জুলাই মাসে পণ্য আমদানির জন্য মোট ২৮৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়। গত বছরের জুলাই মাসে এই পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার।

এবার জুলাই মাসে চাল আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ কমেছে ৮১ শতাংশ। চিনির এলসি কমেছে ৭১ শতাংশ।

তবে গম আমদানিতে এলসি বেড়েছে ৩৮৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ; পরিশোধিত ভোজ্য তেলের জন্য ৩৬ শতাংশ।

গত ২০১০-১১ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় বেড়েছিল প্রায় ৪২ শতাংশ। বাংলাদেশ এরপর থেকে বিলাসবহুল ও অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করায় আমদানি ব্যয় কমতে শুরু করে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান।

২০১১-১২ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় বাড়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ে। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে আমদানি ব্যয় বাড়লেও শেষ দিকে তা কমে আসে।

এদিকে আমদানি ব্যয় কমায় এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স বাড়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ভালো অবস্থায় রয়েছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দুই মাসের (জুলাই-অগাস্ট) পাওনা বাবদ ৭০ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পরও রিজার্ভে রয়েছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে ১০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার ছিল বলে কর্মকর্তারা জানান।

চলতি মাসের শুরুতে আকুর দেনা পরিশোধের আগে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে রিজার্ভ প্রায় সাড়ে ১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।

২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স দেশে এসেছে, যা একক মাস হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে জানুয়ারি মাসে ১২২ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ