1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শাহবাগে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত এমপি প্রার্থী আন্দোলরতদের ছত্রভঙ্গ করতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি : ডিএমপি ‘এটি একটি ভালো সূচনা’—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক শেষে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলার ঘোষণা বিএনপির ইশতেহারে কক্সবাজারে ব্লু-ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ শাহবাগ ও ঢাবি স্টেশনে থামছে না মেট্রো ট্রেন স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলা ঠিক হবে না: বুবলী প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে বসে পড়লেন সরকারি কর্মচারীরা ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, সব ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের সমান অধিকার চায় বিএনপি আর্থিক নিয়ম ভাঙার শাস্তি মুখে লেস্টার সিটি

চাপের মুখে খেলতে ভালো লাগে: আফিফ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৩ Time View

পাওয়ার প্লে’র মধ্যে সাজঘরে প্রথম তিন ব্যাটার। দলীয় পঞ্চাশ হওয়ার আগে ফিরে গেলেন আরও একজন। অল্পেই চার উইকেট হারিয়ে আরব আমিরাতের বিপক্ষে শুরুতেই কঠিন চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে ১৫৮ রানের ভদ্রস্থ সংগ্রহ এনে দেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

টপঅর্ডারের ব্যর্থতার পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও আউট হয়ে গেলে ১১ ওভারে মাত্র ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড ৮১ রানের জুটি গড়েন আফিফ।

চার নম্বরে নেমে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে ৫৫ বলে ৭৭ রান করেন এ ২৩ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার। যেখানে ছিল সাতটি চারের সঙ্গে তিনটি ছয়ের মার। আফিফের ব্যাটে চড়েই মূলত দেড়শ ছাড়ায় বাংলাদেশ। তাই সাত রানের জয়ে তার হাতেই উঠেছে ম্যাচসেরার পুরস্কার।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার গ্রহণ করে আফিফ জানান, চাপের মুখে খেলতেই ভালোবাসেন তিনি। যার প্রমাণ অনেকবারই দেখা গেছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালে ক্যারিয়ারের মাত্র দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে চাপের মুখে ২৬ বলে ৫২ রান করে দলকে জিতিয়ে নিজের শক্ত মনোবলের পরিচয় দিয়েছিলেন আফিফ।

সেদিন থেকে এখন পর্যন্ত অনেকবারই দলের বিপদে চওড়া হয়েছে আফিফের ব্যাট। তিনি নিজেও এটি উপভোগ করেন জানিয়ে বলেছেন, ‘সবসময় চাপের মুখে ব্যাটিং করতে ভালো লাগে। আমি শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম, সফল হওয়ায় ভালো লাগছে।’

তথাকথিত সিনিয়র বলতে যাদের বোঝানো হয় তাদের কেউই নেই চলতি আমিরাত সফরে। তবে এটি নিয়ে ভাবছেন না আফিফ, ‘কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড় না থাকলেও আমাদের ওপর বাড়তি চাপ নেই। আমাদের সবসময় সেরা একাদশই খেলাতে হবে। আশা করি পরের ম্যাচেও আমি রান করতে পারবো।’

পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আফিফ আরও বলেন, ‘শুরুতে উইকেট একটু কঠিন ছিল। বল গ্রিপ হচ্ছিল। টপঅর্ডার ভালো করতে পারিনি, পরের ম্যাচে ইনশাআল্লাহ করবে। এটা সমস্যা না। আমি আর সোহান ভাই ব্যাট করার সময় আস্তে আস্তে উইকেট ভালো হচ্ছিলো দেখে আমরা আরও ভালো ব্যাটিং করতে পেরেছি।’

নিজের ব্যাটিংয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানিয়ে এ বাঁহাতি ব্যাটারের ব্যাখ্যা, ‘লক্ষ্য থাকে উইকেট পড়ে গেলেও স্ট্রাইক রোটেট করি আর বাউন্ডারির জন্য করি। আজও ভিন্ন কিছু হয়নি। আজও গেম প্ল্যান অনুযায়ী চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় উইকেট অনুযায়ী শেষদিকে রান ঠিক ছিল।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ