1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির প্রতিপক্ষ চেলসি ইরান যুদ্ধের সময় আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ পাঠায় ইসরায়েল ঢাকায় আজ ঝরতে পারে বজ্রবৃষ্টি, কমবে তাপমাত্রা অভিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলার ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ ও উলশী খাল তারেক রহমানের আমন্ত্রণে ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন বিল গেটস: সালেহ শিবলী রাজধানীতে র‌্যাবের অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার ; আটক ৩ সএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে : উপদেষ্টা মাহদী আমিন ওয়াশিংটনে নৈশভোজে গুলি: হামলাকারীকে আটকের দাবি ট্রাম্পের কলম্বিয়ায় মহাসড়কে বোমা হামলা, নিহত অন্তত ১৪

প্রসব বেদনা নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও প্রথম শ্রেণী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১২
  • ১১৯ Time View

প্রসব বেদনা নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও তাতে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ব্রিটিশ এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী। সামান্থা লকি, ২৩, নামের এই মেয়েটি প্রসব বেদনা সহ্য করে তার শরীরচর্চা বিজ্ঞান বিষয়ে ফাইনাল পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় তাকে গুটি কয়ের শারীরিক কসরতও দেখাতে হয় এবং শেষে ছিলো লিখিত পরীক্ষা।
পরীক্ষার দিন সকাল ৮টা থেকেই শুরু হয়েছিলো শারীরিক অস্বস্তি ও ব্যাথা। তবে সেদিকে মোটেই ভ্রুক্ষেপ ছিলো না সামান্থার। হাসপাতালে না গিয়ে তিনি চলে যান পরীক্ষার হলে।
১৩ ঘণ্টা প্রসব বেদনার পর ওই রাতেই জন্ম নেয় সামান্থার কন্যাসন্তান পপি।
গর্বিত মা তার অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন: ‘পরীক্ষা শেষ করার ব্যপারে আমি ছিলাম বদ্ধপরিকর। টানা তিনবছর কঠোর পরিশ্রমের পর এই পরীক্ষা। আমাকে সেটা শেষ করতেই হবে।’
সামান্থা বলেন, পরীক্ষার দিন ভোরবেলা থেকেই আমি একটু একটু চাপ অনুভব করতে থাকি। তখনই সিদ্ধান্ত নেই যা কিছুই হোক, এড়িয়ে যেতে হবে। তখন আমার একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান ছিলো পরীক্ষা।
এক পর্যায়ে চাপ ক্রমেই বাড়তে থাকে। কিন্তু আমার পরীক্ষাটি না দিয়ে উপায় ছিলো না। এবারে না দিতে পারলে এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাওয়া যেতো। কিন্তু তা হতো আমার সন্তানটির জন্য ¯্রফে দুঃস্বপ্ন।
সাহসী এই ছাত্রী অবশ্য তার কষ্টের ফল পেয়েছেন। এক মাসের মধ্যেই তার পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে। এবং তিনি প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরীক্ষার রেজাল্ট শুনে সামান্থা বললেন, এখন আমি আমার মেয়ের সঙ্গে এর আনন্দ উপভোগ করতে পারবো।
তিনি বলেন, পরীক্ষার ফল যখন পেলাম, ভীষণ ভালো লাগছিলো। নিজেকে খুব গর্বিত মনে হচ্ছিলো। পপিকে সঙ্গে করেই আমি আমার পরীক্ষার ফল নিতে গিয়েছিলাম। ও অবশ্য তখন ঘুমুচ্ছিলো।
এ বছরটি পড়াশুনা থেকে ছুটি নিচ্ছেন সামান্থা। তবে আগামী বছরই আবার অধ্যায়নে ফিরবেন তিনি। সাউথামটনে অকুপেশনাল থেরাপি নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ