1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বায়তুল মোকাররমে পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৪০, মামলা ৪৬ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে রিজভীর শ্রদ্ধা নিবেদন স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দলীয় ক্লাবে পরিণত করেছে বিএনপি : নাহিদ ইসলাম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন ছাড়া যে কেউ সভা-সমাবেশ করতে পারবে: আইনমন্ত্রী পুনরায় বর্ডার হাট চালু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদের সময় বাড়ল ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১৭ বছর গ্যাস আমদানির নামে লুটপাট করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব

দেশে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান আড়াই সহস্রাধিক: অর্থমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১২
  • ১০৮ Time View

দেশে আড়াই হাজারের ওপরে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রোববার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (এমআরএ) আয়োজিত ‘ক্ষুদ্র ঋণখাতের জন্য আমানতকারী নিরপাত্তা তহবিল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, এমআরএ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬০০ হলেও দেশে আড়াই হাজারের ওপরে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাজহারুল হকের সভাপাতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে ক্ষুদ্র ঋণের পরিমাণ ও ব্যাপকতা বেড়েছে। ১৯৮৬ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ শতাংশ, যা বেড়ে বর্তমানে হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি।” তবে ক্ষুদ্র ঋণের সংজ্ঞা পুনর্ববিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, “ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে ব্যাংকের কৃষি ঋণকে বিবেচনা করা হয়, যেটা ঠিক না। আমি এর বিরোধিতা করি।”

অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংক আমানত বীমা এ মুহূর্তে এক লাখ টাকা, এটা বাড়ানো উচিত। তবে বেড়ে কী পরিমাণ হবে তা তিনি স্পস্ট করেননি।

অর্থমন্ত্রী ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স আবারও চালু করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “১৯৮২ সালের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স চালু করা হয়েছিল। কিন্তু পরে সরকার তা বন্ধ করে দেয়। আবার চিন্তা করার সময় এসেছে। বেসরকারি খাত গতিশীল হয়েছে। তাদের অনেক ঋণ লাগছে। তাই ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স আবার চালু করা যায় কিনা তা বিবেচনা করতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ