1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

দেশে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান আড়াই সহস্রাধিক: অর্থমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৩ জুলাই, ২০১২
  • ১০৩ Time View

দেশে আড়াই হাজারের ওপরে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

রোববার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (এমআরএ) আয়োজিত ‘ক্ষুদ্র ঋণখাতের জন্য আমানতকারী নিরপাত্তা তহবিল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, এমআরএ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬০০ হলেও দেশে আড়াই হাজারের ওপরে ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাজহারুল হকের সভাপাতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে ক্ষুদ্র ঋণের পরিমাণ ও ব্যাপকতা বেড়েছে। ১৯৮৬ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ শতাংশ, যা বেড়ে বর্তমানে হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি।” তবে ক্ষুদ্র ঋণের সংজ্ঞা পুনর্ববিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, “ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে ব্যাংকের কৃষি ঋণকে বিবেচনা করা হয়, যেটা ঠিক না। আমি এর বিরোধিতা করি।”

অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংক আমানত বীমা এ মুহূর্তে এক লাখ টাকা, এটা বাড়ানো উচিত। তবে বেড়ে কী পরিমাণ হবে তা তিনি স্পস্ট করেননি।

অর্থমন্ত্রী ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স আবারও চালু করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “১৯৮২ সালের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স চালু করা হয়েছিল। কিন্তু পরে সরকার তা বন্ধ করে দেয়। আবার চিন্তা করার সময় এসেছে। বেসরকারি খাত গতিশীল হয়েছে। তাদের অনেক ঋণ লাগছে। তাই ফরেন এক্সচেঞ্জ ইন্স্যুরেন্স আবার চালু করা যায় কিনা তা বিবেচনা করতে হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ