1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে আইএফআইসি-সুইসকন্ট্যাক্টের নতুন উদ্যোগ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট চালু হচ্ছে কবে, জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ | Boishakhi Online জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড মিডল্যান্ড ব্যাংকের ১৭তম শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বরিশাল বোর্ডে ১১ প্রতিষ্ঠানে শূন্য পাস, কমেছে জিপিএ-৫ নিয়ম অনুযায়ী সিলেট টেস্টে মুমিনুল ভাই খেলতে পারবেন না: শান্ত বাংলাদেশকে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক, আছে যে শর্ত ভারতের নিচে নেমে গেল বাংলাদেশ, শান্তর চোখে ‘ফাইনাল কঠিন’ মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন, কুপন রেট ১২.০৫ শতাংশ

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমার অঙ্গীকারবদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪৮ Time View

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে লেখা এক চিটিতে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী কাইয়া টিন জানান, ২০১৭ সালের চুক্তির ভিত্তিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু করতে মিয়ানমার অঙ্গীকারবদ্ধ।

এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশসহ সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ক সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

মিয়ানমারের মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মিয়ানমার প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যে কোনো দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের সমাধান করতে চায়। গত ১৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চীন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

কাইয়া টিন বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতো তিনিও মনে করেন, করোনা মহামারির কারণে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন জাতির মধ্যে পারস্পরিক সংহতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। পারস্পরিক অলোচনার ভিত্তিতে ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার বিষয়টি মিয়ানমারের মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

কাইয়া টিন ড. মোমেনের সুস্বাস্থ্য এবং বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। গত ১ জানয়ারি মিয়ানমারের মন্ত্রীকে পত্র প্রদানের জন্য ড. মোমেনকে ধন্যবাদ প্রদান করেন। কাইয়া টিন ও ড. মোমেন একই সময়ে জাতিসংঘে নিজ নিজ দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সে সময় থেকে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা গড়ে উঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ