1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হত্যা মামলায় সাবেক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আফজাল নাছের ২ দিনের রিমান্ডে সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে দশম ওয়েজ বোর্ড হওয়া দরকার : হুইপ রুহুল কুদ্দুস দুলু রাজধানীতে ব্লক রেইড: গ্রেফতার ৫৮ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে নবীন শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: ইউজিসি চেয়ারম্যান ভোলায় গাঁজাসহ দুইজন আটক মহামারি চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অংশে চূড়ান্ত আলোচনা শুরু নেত্রকোণায় ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধে ৪ জনকে পুনর্বাসন সামগ্রী ও অর্থ সহায়তা প্রদান ওপেনএআইকে ঘিরে অল্টম্যানের বিরুদ্ধে ইলন মাস্কের আইনি লড়াইয়ে বড় মোড় গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তকারীদের প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত খুলতে চায় ঢাকা-ওয়াশিংটন

‘ঈশ্বরকণা’ পাওয়া গেছে?

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১২
  • ১৬১ Time View

বহুল আলোচিত হিগস-বোসন কণা বা ঈশ্বরকণার অভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন কণা সনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। ভূগর্ভস্থ কণাত্বরক যন্ত্র লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে (The Large Hadron Collider)এ কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছেন সার্ন গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা। বুধবার যুক্তরাজ্য এবং জেনেভায় আলাদা সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবির কথা জানান।

কণা পদার্থবিদ্যার সম্ভবত সবচে আলোচিত বিষয় হিগস-বোসন কণা যা ঈশ্বরকণা নামে সমধিক পরিচিত। এখন যদি বিজ্ঞানীদের দাবি সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে পদার্থের ভর সৃষ্টিকারী এ বিশেষ কণার অস্তিত্ব নিয়ে দীর্ঘ ৪৫ বছরের বিতর্কের অবসান ঘটবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে হিগস-বোসন কণার অনুসন্ধানে পরিচালিত প্রথম পরীক্ষণ সিএমএস এ এ ধরণের কণার ব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে অ্যাটলাস নামে অপর পরীক্ষণের ফল এখনো জানানো হয়নি।

গবেষকদল দাবি করেছে, প্রাপ্ত উপাত্তে ১২৫ দশমিক ৩ গিগাইলেক্ট্রন ভোল্টের (GeV) কণার মৃদু আঘাত অনুভূত হওয়ার অস্তিত্ব টের পেয়েছেন। এ কণা প্রোটনের ১৩৩ গুণ বেশি ভারী। এ বৈশিষ্ট্য হিগস-বোসন কণার অনুরূপ।

প্রাপ্ত তথ্য হিগস-বোসন কণার অস্তিত্বের শক্তিশালী প্রমাণ দিচ্ছে। তবে নিশ্চিত হওয়ার আগে আরো কিছু প্রশ্নের জবাব মিলতে হবে।

মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে জানতে হলে হিগস-বোসন কণার জ্ঞান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতিপারমাণবিক এ কণার অস্তিত্ব এখনো তাত্ত্বিক পর্যায়ে রয়েছে। এ কণার তাত্ত্বিক আচরণ বলে দেয়, মহাবিশ্বের প্রাথমিক কণাগুলো কীভাবে  ঘনীভূত হয়ে নক্ষত্র, গ্রহ এবং প্রাণ সৃষ্টি করল।

তত্ত্বীয় কণা-পদার্থবিদ্যায় বলা হয়, এ কণার অস্তিত্ব না থাকলে এ মহাবিশ্ব  বর্তমান আকার পেত না। গ্রহ নক্ষত্র আর গ্যালাক্সির সমন্বয়ে গঠিত না হয়ে মহাবিশ্ব হত স্যুপের মতো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ