1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন : মঈন খান স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার জনবল নিয়োগ দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সব নাগরিক নিজ নিজ ধর্মাচার স্বাধীনভাবে পালন করবেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের আমরা অর্থনীতির নতুন মডেলে কাজ শুরু করেছি : অর্থমন্ত্রী পে স্কেলের গেজেট চূড়ান্ত পর্যায়ে, প্রজ্ঞাপনের পর আছে আরো কয়েক ধাপ বিরোধী দলের বোঝা উচিত ৬ মাসে সব কাজ শেষ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ : কৃষিমন্ত্রী চলতি মাসের শেষেই সারা দেশে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সমাজ থেকে অপশক্তি দূর করতে চাই: আইনমন্ত্রী

ভারতে নাগরিকত্ব পেল ৭ পাকিস্তানি হিন্দু

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৫০ Time View

পাকিস্তানের সাত উদ্বাস্তু হিন্দুকে নাগরিকত্ব দিয়েছে ভারত সরকার। তাদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী মনসুখ এল মাণ্ডব্য এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গুজরাতের মোর্বি ও কচ্ছ জেলায় ওই সাতজন উদ্বাস্তু এসে ছিলেন৷ এদিন, তাঁদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দিয়েছেন তিনি৷

ভারতের নতুন নাগরিক সংশোধনী আইনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা বিতাড়িত হয়ে ভারতে এলে, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ১৯৫৫-র নাগরিকত্ব আইনের এই সংশোধনী অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে আসা অন্য দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তার জন্য ছ’বছর এ দেশে বাস করতে হবে। যদি তাঁরা অবৈধ অভিবাসী বলে চিহ্নিত হন, তাহলে তাঁরা স্বাভাবিক নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন না, তা সে যে ধর্মেরই হোন না কেন।

এদিকে, এই আইন পাশ হওয়ার পরই গোটা ভারত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি অবিজেপি রাজ্য নতুন নাগরিকত্ব আইন মানবে না বলে জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিটিশনও ফাইল করা হয়েছে।সরকার এই পরিবর্তিত আইনকে সহানুভূতিশীল বলে দাবি করা সত্ত্বেও বিরোধীরা একে মুসলিম বিরোধী ও অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করছে৷

বিরোধীদের দাবি, সরাসরি এই সংশোধনীতে ভারতীয় নাগরিকদের বাদ দেবার কথা বলা নেই। তবে অসমের এনআরসি এবং নতুন নাগরিকত্ব আইন আলাদা করে দেখা যাবে না। চূড়ান্ত এনআরসি তালিকা থেকে ১৯ লাখের নাম বাদ পড়েছে। নতুন আইন বাঙালি হিন্দুদের নাগরিকত্ব দেবার একটা সুযোগ দিচ্ছে, কিন্তু সে সুযোগ পাচ্ছেন না মুসলমানরা। তাঁদের আইনি পথে লড়তে হবে।

অমিত শাহ এবং বিজেপি নেতারা বলছেন, আসামের এনআরসি পদ্ধতি সারাদেশে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে ভারতীয় মুসলিমদের মধ্যে আশঙ্কার পরিবেশ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক দিক থেকে, এই আইনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিতে। আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ২০২১ সালে।

সূত্র : কলকাতা২৪

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ