1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উপকূলীয় দেশ হিসেবে সমুদ্র খাতে আরও মনোযোগী হতে হবে: নৌমন্ত্রী তিন মাসের মধ্যে ৫০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সূচকের বড় পতনে ডিএসইর লেনদেন কমলো স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ৪ হাজার ৪৩২ টাকা হজ শেষে ফিরলেন ৬৩৪৪০ বাংলাদেশি সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে রাজস্ব সংগ্রহে রেকর্ড, ১১ মাসে আদায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৪২ কোটি টাকা লেবানন থেকে ইসরায়েল সেনা না সরালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবরকম আলোচনা বন্ধ করে দেওয়া হবেহুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো কাতার, নিখোঁজ ১৮ বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয় পেল মিসর

কে এই রামলালা? কোন যুক্তিতে জমির মালিকানা পেল রাম জন্মভূমি ন্যাস?

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪০ Time View

পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়, শর্তসাপেক্ষে বিতর্কিত জমি দেওয়া হল রাম জন্মভূমি ন্যাসকে। অন্যদিকে অযোধ্যাতেই ৫ একর বিকল্প জমি দেওয়া হবে মুসলিম পক্ষ বা সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। তবে খারিজ করে দেওয়া হয় আরেক মামলাকারী নির্মোহী আখড়ার দাবি।
১৯৯৩ সালের অযোধ্যা আইনের আওতায় তিন মাসের মধ্যে কেন্দ্রকে ট্রাস্ট গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিতর্কিত জমি রাম জন্মভূমি ন্যাসকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? রামলালাই কেন এই জমির মালিকানা পেলেন? কে এই রামলালা? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
আইন অনুযায়ী, হিন্দু দেবতাকে এই মামলায় বিচারাধীন ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এই মামলায় ছোট্ট রামলালা বিরাজমান বাদী পক্ষ হিসেবে সামনে আসে। অযোধ্যার দেবতা রামের শিশুরূপ রামলালা আইনের চোখে নাবালক। তবে হিন্দু দেবতাকে বাদী পক্ষ হিসেবে তুলে ধরাটা নজিরবিহীন। মনুষ্যরূপী রামের মকদ্দমাকারীদের অন্যতম ছিলেন তৎকালীন ভিএইচপি কার্যকরী প্রেসিডেন্ট দেওকী নন্দন আগরওয়াল। ১৯৮৯ সালে তাঁর হাত ধরেই রামলালার হয়ে মামলা শুরু হয়। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অন্যতম নেতা ত্রিলোকীনাথ পাণ্ডে ছিলেন রামলালার পাশে। ২০০২ সালে মামলার দায়িত্ব নেন তিনি।
এদিন শীর্ষ আদালত বলে, ওই স্থানকে যে হিন্দুরা ভগবান রামের জন্মস্থান হিসেবে বিশ্বাস করেন, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। রাম জন্মভূমিতে যে ১৮৫৭ সালের আগেও হিন্দু পুণ্যার্থীরা যেতেন, তার প্রমাণ মিলেছে। বিতর্কিত জমির বাইরের অংশে যে হিন্দুরাই পূজার্চনা করতেন, সে প্রমাণও খুব স্পষ্ট। কিন্তু সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এই মামলায় এমন কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি, যাতে বলা যায়, ১৮৫৭ সালের আগে বিতর্কিত জমির দখল পুরোপুরি তাঁদের হাতে ছিল। বিতর্কিত জমির উপরে রামলালার অধিকার স্বীকার করে নেওয়া আইন-শৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রশ্নের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
বিতর্কিত জমি রামলালার। এই ঘোষণার পরই সেলিব্রেশন শুরু করে দেন রামলালা বিরাজমানের পক্ষের আইনজীবীরা। সিনিয়র আইনজীবী পিএস নরসিমা বলেন, ‘মসজিদ তৈরির আগে হিন্দুরা রাম জন্মভূমিতে প্রার্থনা করতেন। এখনও সেই রীতি চলছে। এটা অত্যন্ত ভাল রায়। এতদিনে ঐতিহাসিক ভুল শোধরানো গেল।’
তথ্যসূত্র : ভারতীয় গণমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ