1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সন্ধ্যার মধ্যে ৭ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স : রাষ্ট্রদূত ইপিজেডে চীনা বিনিয়োগের জোয়ার: তৈরি হবে ড্রোন ও সেমিকন্ডাক্টর স্পেনের কাজ শেষ, বিশ্বকাপে ‘ফাইনালিসিমা’ এখন আর্জেন্টিনার কাঁধে গুলিস্তানে সেলুনে এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ আদমজী ইপিজেডের পোশাক কারখানায় আগুন, তিন ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে এলডিসি উত্তরণে এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি নুরুল হকের ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুক্তি না করলে ‘ইরানে কেউ অবশিষ্ট থাকবে না’, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

আবরারের মৃত্যু নিয়ে আনিসুল হক যা বললেন

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৪৭ Time View

বিদ্যুৎস্পর্শে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর সম্পাদক আনিসুল হক ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া সেই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

নাইমুল আবরারের আব্বা-আম্মা এবং শোকার্ত পরিবারের সঙ্গে এতক্ষণ হাসপাতালে ছিলাম। এই মাত্র ফিরলাম। হাসপাতালে শোকার্ত পরিবারের সামনে বসে আমি স্টাটাস লেখার মতো অবস্থায় ছিলাম না। যা লিখেছি, তাতে বারবার ভুল হচ্ছিল, বানান ভুলও ছিল।

কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে এসে আববার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে এবং হাসপাতালে নেবার পর ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন, আমার জন্যে এর চেয়ে শোক, দুঃখ, পরিতাপের বিষয় আর নেই।

নাইমুল আববার ঢাকা রেসিডেনসিয়ালের ক্লাস নাইনের ছাত্র ছিল। ভালো ছাত্র ছিল। ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি পেয়েছিল।

তারা দুই ভাই। বড়ভাই প্রকৌশলী, জার্মানিতে থাকেন। নাইমুল আবরারের আব্বা আগে সৌদি আরবে থাকতেন।

এখন ফেসবুকে কতগুলো প্রচারণা দেখছি।

আমি আমার জানা দেখা কথাগুলো বলি।

আমাকে চারটার পর জানানো হয়, একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে।

আরো খানিক পরে জানানো হয়, আহত ভদ্রলোক সম্ভবত চট্টগ্রাম থেকে আসা।
অনুষ্ঠান শেষ হয় ৪টা ৪০ কি ৪টা ৪৫। পাঁচটার পর আমি জানতে পারি, আহত জন মারা গেছেন। মানে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ১৫/২০ মিনিট পরে মৃত্যুর খবর আমি পাই।

তারও আধ ঘণ্টা পর আমাকে জানানো হয়, যিনি মারা গেছেন, তিনি ক্লাস নাইনের ছাত্র রেসিডেনসিয়ালের ছাত্র।

কাজেই যারা বলছেন, নাইমুল আবরার মারা যাওয়ার খবর গোপন করে অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা ঠিক বলছেন না। শেষ শিল্পী অর্ণব ওঠার আগে দুর্ঘটনা সম্ভবত ঘটেনি।

সম্ভবত বলছি, কারণ একেকজন একেকটা কথা বলছেন।

দ্বিতীয়ত, ইউনিভার্সাল হাসপাতাল আমাদের স্পন্সর নয়। তারা আমাদেরকে জরুরি মেডিকাল সার্ভিস দেবার জন্য ওখানে ছিলেন। দুজন এফসিপিএস ডাক্তার ছিলেন। একটা অ্যাম্বুলেন্স রেডি করা ছিল। সেই অ্যাম্বুলেন্সেই নাইমুল আববারকে হাসপাতালে নেয়া হয়। কেন তাকে হৃদরোগ ইন্সিটিউটে নেয়া হলো না, এই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য আমার জানা নেই।

তবে আমরা যে মেডিকাল ক্যাম্প, টিম, অ্যাম্বুলেন্স রেডি রেখেছিলাম, সেটা ভালোর জন্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তা থাকা সত্ত্বেও নাইমুল আববার আমাদের ছেড়ে চলে গেল।

আমরা স্তব্ধ, বিধ্বস্ত। শোকাকূল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ