1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৫৭ ওয়ার্ডে ডেঙ্গুর ঝুঁকি, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের অঙ্গীকার: চীনা মন্ত্রী রিজার্ভ থেকে ১২০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চায় বিএনপি: রিজভী আদনানের প্রথম সিনেমার নায়িকা মেহজাবীন, নায়ক নিশো ভারতের বিপক্ষে ‘স্পেশাল ম‍্যাচ’ রাঙিয়ে রাখতে উন্মুখ পাকিস্তান সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ‘পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর’ ওয়ালটন ফ্যান সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড় এনপিএসবি থেকে ডিজিপে’কে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে ঢাকা-বেইজিংয়ের ঐক্য চান চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মন্ত্রী

নীরব মোদিকে গ্রেপ্তারের জন্য নথি চেয়েছিল যুক্তরাজ্য, উত্তর দেয়নি ভারত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০১৯
  • ৫৩ Time View

পলাতক ভারতীয় হীরা ব্যবসায়ী নীরব মোদিকে লন্ডনের রাস্তায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছিল গত সপ্তাহে। মুখে দাড়ি থাকলেও তার ঔজ্জ্বল্য কোনোভাবেই কমেনি। পরেছিলেন উটপাখির চামড়া দিয়ে তৈরি দামি একটি জ্যাকেট।

ক্ষমতাসীন বিজেপি জানিয়েছিল, ভারতের পক্ষ থেকে নীরব মোদিকে ফেরানোর এবং তারপর তার শাস্তির ব্যবস্থা করার সবরকম প্রচেষ্টাই চালানো হচ্ছে। তবে, এই দাবির একেবারে বিপরীত একটি দাবির কথা জানতে পেরেছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

নীরব মোদে সংক্রান্ত বহু তথ্য চাওয়ার পরেও তা ব্রিটিশ প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, যুক্তরাজ্যের একটি আইনি দলও নীরব মোদির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু, তার কোনো জবাবই দেয়নি ভারত। লন্ডনের সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এনডিটিভি জানতে পেরেছে, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যকে প্রথমবার মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসট্যান্স ট্রিটি (এমএলএটি) পাঠানো হয়।
পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকে ১৩ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতির পর সিবিআই নীরব মোদির বিরুদ্ধে মামলা করার ঠিক পরপরই এটি পাঠানো হয়েছিল।

সিরিয়াস ফ্রড অফিস ভারতকে মার্চ মাসের মধ্যে জানিয়ে দিয়েছিল, নীরব মোদি ব্রিটেনে রয়েছেন। ওই সময় ভারতীয় কর্মকর্তারা তাকে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ও হংকং-এ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। ভারতকে নীরব মোদির অবস্থান সম্পর্কে জানানোই শুধু নয়, সিরিয়াস ফ্রড অফিসের পক্ষ থেকে এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য অর্থ জালিয়াতি মামলার বিখ্যাত আইনজীবী ব্যারি স্ট্যানকোম্বের ওপরেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

ব্যারি স্ট্যানকোম্বে ও তার দল এই মামলায় ভারতকে সাহায্য করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি চেয়েছিল। গত গ্রীষ্মে তারা তিনটি চিঠি লেখে এই সংক্রান্ত। কিন্তু, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, একটি চিঠিরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ