1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

উত্তর কোরিয়া কেন পরমাণু স্থাপনা ধ্বংস করছে?

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ মে, ২০১৮
  • ৩২ Time View

উত্তর কোরিয়া বলছে চলতি সপ্তাহেই দেশটিতে পরমাণু কেন্দ্র ভাঙ্গার কাজ শুরু করবে, আর এটি শুরু হবে বিদেশী সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেই।

পিয়ং ইয়ং এর পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র পুঙ্গি রি কমপ্লেক্সটি দেশটির উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায়।

২০০৬ সাল থেকে এ কেন্দ্র থেকে অন্তত ছয়টি পারমানবিক পরীক্ষা চালিয়েছে দেশটি।

কিন্তু ইতোমধ্যেই দেশটি ২৩ থেকে ২৫শে মে’র মধ্যে এটিকে ভেঙ্গে ফেলার প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছে।

উত্তর কোরিয়া বলছে তারা পরমাণু কার্যক্রম থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কিন্তু সেটি কিভাবে হবে তা নিয়ে মতবিরোধের জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে আসন্ন বৈঠক থেকে সরে আসারও হুমকি দিয়েছে দেশটি।

প্রাথমিকভাবে পারমানবিক পরীক্ষা কেন্দ্র বন্ধের প্রতিশ্রুতি স্বাগত জানানোর মতো একটি পদক্ষেপ।

কিন্তু মনে করা হয় যে দেশটি বিশ্বাস করে যে তার পারমানবিক কর্মসূচি যথেষ্ট উন্নত হয়েছে এবং এখন আর পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।

দেশটির পারমানবিক অস্ত্র কার্যক্রম ওই কেন্দ্রের কার্যক্রমের চেয়ে অনেক দুর এগিয়ে গেছে।

পুঙ্গি রিতে পারমানবিক সুবিধা রাখা হয়েছিলো পারমানবিক অস্ত্র কর্মসূচির পরীক্ষার জন্য।

সেখানে পর্বতের কাছে মাটির নীচে টানেল করে এটি করা হতো। শোনা যাচ্ছে যে এর একটি অংশ ইতোমধ্যেই ধ্বসে পড়েছে।

উত্তর কোরিয়া বলছে তারা বিদেশী পর্যবেক্ষক বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ান ও আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এটি দেখতে যে স্বচ্ছতার সাথেই টানেলটি ধ্বংস করা হচ্ছে এবং পর্যবেক্ষণ সুবিধা অপসারণ করা হচ্ছে।

কিন্তু এটি পরিষ্কার নয় যে বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ করা হচ্ছে কি-না। কমপ্রেহেন্সিভ নিউক্লিয়ার টেস্ট ব্যান ট্রিটি অর্গানাইজেশন বা সিটিবিটিও ওই কেন্দ্রটি আর পরীক্ষা চালাতে সক্ষম নয় এমন বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারবে কি-না তাও নিশ্চিত নয়।

জাতিসংঘ সমর্থিত এ সংস্থাটি বিশ্বব্যাপী পারমানবিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা নিয়ে কাজ করে।

এর বিশেষজ্ঞরাই মূলত কেন্দ্রটি পুরোপুরি অকার্যকর হয়েছে কি-না সেটি বলতে সক্ষম।

তবে বিশ্লেষকরা এখন তাকিয়ে আছেন পুঙ্গি রি ধ্বসে পড়া ও পর্যবেক্ষণ সুবিধাদি অপসারণ কার্যক্রমের দিকে।

আনুষ্ঠানিকতার পর বিভিন্ন সরকার ও স্বাধীন বিশেষজ্ঞরা সেখানে নতুন স্থাপনা ও উপকরণ সম্পর্কে জানতে পারলেন স্যাটেলাইট থেকে নেয়া ছবির মাধ্যমে।

তবে এর মাধ্যমে হয়তো বোঝা যাবেনা উত্তর কোরিয়া নতুন কোন পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র চালু করছে কি-না।

কারণ এটি করার মতো আরও অনেক পর্বত রয়েছে দেশটিতে।

কিন্তু সেটি হলেও সিসমিক ভূকম্পনের কারণেই তা গোপন রাখা যাবেনা।

এ বছরের শুরুতেই কোরীয় উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।

যদিও তাদের এ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাশা পুরোপুরি মেটায়নি।

১৯৯৪ সালেও একটি সমঝোতার আলোকে উত্তর কোরিয়া এ ধরনের ঘোষণা দিয়েছিলো।

পরে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি সফলভাবে সেখানে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমও পরিচালনা করে।

সে সময় ইয়ংবিয়ন পরমাণু কমপ্লেক্স পর্যবেক্ষণ ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেখানে দেখা হয়েছিলো প্লুটোনিয়াম উৎপাদন সুবিধা পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে কি-না।

যদিও ২০০২ সালে সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার পর পিয়ংইয়ং কেন্দ্রটি আবার চালুর ঘোষণা দেয় এবং ২০০৫ সালে আত্মরক্ষার জন্য পরমাণু অস্ত্র উৎপাদনের ঘোষণা দেয়।

আর সে কারণেই ভবিষ্যতে যে কোন চুক্তিতে পর্যবেক্ষকদের জন্য ব্যাপক কাজের সুবিধা থাকতে হবে।

পুঙ্গি রি কেন্দ্রটি ধ্বংস করতে হয়তো কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে কিন্তু দেশটির পরমাণু স্থাপনা অকার্যকর হচ্ছে কি-না সেটি যাচাই করতে হয়তো কয়েক বছর লেগে যাবে।

এ জন্য দরকার হবে নিয়মিত মনিটরিং।

কারণ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে উত্তর কোরিয়া আবারো পারমানবিক অস্ত্র কর্মসূচি কয়েক বছরের মধ্যেই আবার শুরু করতে পারবে।

(বিবিসির জন্য এ বিশ্লেষণটি তৈরি করেছেন মিডলবুরি ইন্সটিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ক্যাথরিন ডিল)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ