1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১০৩ বছর

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ মার্চ, ২০১৮
  • ৭১ Time View

সেই বিৃটিশ আমলে ভারতবর্ষে রেলপথ নির্মাণের সময় পদ্মা নদীর পাকশী-ভেড়ামারার সংযোগ সৃষ্টির জন্য নির্মাণ করা হয় ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। ১৯১৫ সালের ৪ঠা মার্চ এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উদ্বোধন করা হয়। আজ ২০১৮ সালে এর বয়স ১০৩ বছর পূর্ণ হলো।

এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রেলসেতু। এখনও এই ব্রিজটি দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক মানুষ প্রতিবছর পাকশীতে আসেন।

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে সেতু প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম জানান, ১৯০৯ সালের প্রথম ভাগে প্রাথমিক জরিপ, জমি অধিগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় পাথর সংগ্রহের কাজ শুরুর মধ্য দিয়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর কাজ শেষ হয়েছিল ১৯১৪ সালের ডিসেম্বরে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর পরীক্ষামূলকভাবে ১৯১৫ সালের ১ জানুয়ারি ব্রিজের ওপর দিয়ে মালগাড়ি ও ২৫ ফেব্রুয়ারি আপ মালগাড়ি চালানো হয়।

১৯১৫ সালের ৪ মার্চ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর ব্রিজের ওপর দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের জন্য তা উন্মুক্ত করা হয়। পরে তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ‘হার্ডিঞ্জ ব্রিজ’।

এই ব্রিজের নির্মাণশৈলী অপূর্ব। ১৫টি গার্ডার সম্বলিত ব্রিজটি শতবছর আগের প্রকৌশলীদের কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর বহন করে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের একটি গার্ডার বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভারতের সহযোগিতায় তৎকালীন বঙ্গবন্ধুর সরকার এটি মেরামত করে ১৯৭২ সালের ১২ই অক্টোবর আবারও ট্রেন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে। তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী নিজে ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে দাঁড়িয়ে হার্ডিঞ্জ সেতু পার হয়ে রেল যোগাযোগ পুনঃস্থাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ