1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরবরাহে গতি আনতে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রোনালদো ঈদের দিন বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী নীলা ঈদের পর বড় তিন চ্যালেঞ্জের সামনে নতুন সরকার রমজানের এ আত্মসংযম যেন আমাদের সবার জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারি: হাসনাত ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করব: নাহিদ ফ্যাসিবাদ পতনের পর এবারের ঈদ অনেক বেশি আনন্দের: ত্রাণমন্ত্রী আমরা চাই, প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

চাঁদপুরে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৫৫ Time View

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মাসুদ রানা নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. ইয়াসিন বেপারী (২৪), মো. আব্দুল খালেক মোল্লা (৩২), মো. ফারুক ওরফে নবী (২৫), মো. সেলিম মাঝী (২২), মো. আলী মুন্সী (২৮)।

রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির মধ্যে মো. ফারুক ওরফে নবী (২৫) ও মো. আলী মুন্সী(২৮) আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি ৩ আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাসুদ রানাকে আসামি মো. আলী তাদের বাড়িতে গিয়ে ডেকে নিয়ে আসে। ওই রাতে মাসুদ রানা বাড়িতে না আসায় তাকে স্বজনরা বহু খোঁজাখুঁজি করেও পায়নি। পরে আসামি মো. আলীর কাছে মাসুদের কথা জানতে চাইলে সে জানায়, ইয়াসীন বেপারী, ফারুক ওরফে নবী, মাসুদ রানাসহ আলফু প্রধানের বাড়ির কাছে চা খেয়ে তাদের সেখানে রেখে চলে আসি। মাসুদকে না পেয়ে তার বাবা মো. রবিউল দর্জি (৫০) ২০০৮ সালের ১৪ আগস্ট মতলব উত্তর থানায় একটি জিডি করেন। অবশেষে ১৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় মতলব উত্তরের গোয়াল ভাওর একটি ডোবায় কচুরিপানার নিচে মাসুদ রানার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

দীর্ঘ তদন্তের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ৩০ মার্চ আদালতে আটজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ৩৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ জজ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে বেকসুর খালাস দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ