1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল দেশীয় অর্থায়নে দ্রুত বাস্তবায়ন হবে ‘তিস্তা মেগা প্রকল্প’: পানিসম্পদমন্ত্রী জনসচেতনতা বাড়লে সড়ক দুর্ঘটনা কমে আসবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী ফল উৎসবের পেছনে আছে সুদূরপ্রসারী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শন: তথ্যমন্ত্রী পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত করা হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী বাবার ‌‘পিট’ কেটে মায়ের সঙ্গে সন্তানরা, আইনি লড়াই শেষে স্বস্তিতে জোলি দেশি বিনিয়োগেই ভরসা খুঁজছে বিডা দেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল যেখানে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ফিলিপাইনে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ৪৬ Time View

কয়েক হাজার ফিলিপিনো পরিবারকে আলবে প্রদেশ থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দেশের সবচেয়ে সক্রিয় মাউন্ট মেয়ন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা থেকেই ওই এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

সোমবার মাউন্ট মেয়নে আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা এবং ছাইসহ ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে। এরপরেই কর্মকর্তারা চারমাত্রার সতর্কতা জারি করেন।

এই পরিস্থিতিতে সেখানকার ৪০ হাজার বাসিন্দাকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আগ্নেয়গিরির চারপাশে আট কিলোমিটার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী ১০ কিলোমিটার ওপরে উঠে গেছে।

আলবে প্রদেশের গভর্নর আল ফ্রান্সিস বিছারা জানিয়েছেন, ধোঁয়ার ফলে কোন কোন এলাকায় খালি চোখে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। পাশাপাশি ঐ এলাকায় ঝড়ো বাতাস বইছে এবং আগ্নেয়গিরির ছাই দূরের শহরগুলিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ঐ আগ্নেয়গিরিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ঐ অঞ্চলের একটি শহর লেগাস্পি মিহি ছাই এবং বালির আস্তরণে ঢাকা পড়েছে। দিনের আলোতেও ওই এলাকায় অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফিলিপাইনে মোট ২২টি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪৬০ মিটার উঁচু মাউন্ট মেয়নে শেষবারের মতো অগ্নুৎপাত ঘটেছিল ২০১৪ সালে। তারও আগে ১৮১৪ সালে কাগসাওয়া শহরটি এই আগ্নেয়গিরির লাভার নীচে চাপা পড়ে যায়। সে সময় এক হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ