1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরবরাহে গতি আনতে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে আরও দুই জ্বালানিবাহী জাহাজ ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন রোনালদো ঈদের দিন বিয়ের খবর প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী নীলা ঈদের পর বড় তিন চ্যালেঞ্জের সামনে নতুন সরকার রমজানের এ আত্মসংযম যেন আমাদের সবার জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতে পারি: হাসনাত ঈদের দিনে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করলে সংসদ ও সংসদের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করব: নাহিদ ফ্যাসিবাদ পতনের পর এবারের ঈদ অনেক বেশি আনন্দের: ত্রাণমন্ত্রী আমরা চাই, প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

তীব্র শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে শ্রমিক দগ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৮ জানুয়ারি, ২০১৮
  • ৪৯ Time View

প্রচণ্ড শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলায় নিম্ন আয়ের মানুষ। ঠান্ডাজনিত রোগ সর্দি, কাশি শ্বাসকষ্ট ও ডায়ারিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। প্রতিদিন বেড়েই চলছে সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীদের ভিড়। কোথাও কোথাও সরকারি উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।

এদিকে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রোববার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ওলিপুর বাজারে প্রচণ্ড শীতে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে গিয়ে ডাবলু সেখ (৩২) নামে এক ট্রলি শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কজনক অবস্থায় তাকে উল্লাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

তীব্র শীতের কারণে বিভিন্ন স্থানে রিকশা-ভ্যান চালকসহ নিম্ন আয়ের মানুষগুলোকে হাত গুটিয়ে চুপ চাপ বসে থাকতে দেখা গেছে। আবার অনেকে সারিবদ্ধ হয়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বাঁশ, কাঠ ও খড়কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শীতে কাতর হয়ে অনেককে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। প্রচণ্ড ঠান্ডায় খেত-খামারেও কাজে যেতে পারছেন না খেটে খাওয়া দিনমজুর ও কৃষকরা। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় সড়ক-মহাসড়কে চলাচল করা যানবাহনগুলোকে দিনের বেলাতেও হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে শুয়ে থাকা ভিক্ষুক জোসনা, আয়েশা ও ছখিতন বেওয়া বলেন, আমরা স্টেশনে অনেক দিন হলো ভিক্ষা করি। আমরা বুড়ো মানুষ কাজ করতে পারি না। আইজ দুই দিন ওইলো কামে (ভিক্ষা) যাইতে পারছি না হিতের (শীত) লাইগ্যা। এই রহম হিত (শীত) থাকলে কি কইরা কামে যামু।

বয়োবৃদ্ধ রিকশা চালক সুজাবত আলী, আলহাজ্ব ও সোবাহান বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কামে আসি নাই। ভেবে ছিলাম রোদ উঠবে, কিন্তু রোদের কোনো দেখা নাই। সামনে আমার কিস্তি আছে। তাই গাড়ি নিয়া বাহির হইছি। কিন্তু তীব্র শীতে আর থাকতে পারছি না। বয়স হয়েছে তাই শীতে আর কাম করতে পারি না।

ফুটপাতের পুরাতন কাপড় বিক্রেতা মানব শেখ বলেন, দুইদিন হল শীতের তীব্রতা বেড়েছে। কেনাবেচা খুব ভালো। গত দুই সপ্তাহের এ রকম বিক্রি করতে পারি নাই। বিগত ১০ বছরের তুলনায় এবারেই বেশি শীত পড়ছে। এ কারণে আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। আশা করি আরও ভালো হবে।

ট্রাকচালক আরমান আলী বলেন, প্রচণ্ড শীত তারপর আবার ঘন কুয়াশায় রাস্তা দেখা যাচ্ছে না। সামনে থেকে কোনো খেয়াল করা যায় না। মাঝে মাঝে গাড়ি সাইড করে রাখতে হচ্ছে। এতো কুয়াশার মধ্যে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তারপরও খাদ্য নিয়ে গন্তব্যস্থলে যেতে হচ্ছে।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী জানান, প্রচণ্ড শীত আর ঘনকুয়াশায় সড়ক-মহাসড়কে চলাচল করা যানবাহনগুলো দিনের বেলাতেও হেড লাইট ও কুয়াশা লাইট এবং এন্টিগেটর লাইট জ্বালিয়ে চলছে। ঘন কুয়াশার কারণে কোনো কোনো সময় রাস্তার দিক নির্ণয় করতে বিপাকে পড়ছে চালকরা।

সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আকরামুজ্জামান জানান, তীব্র শীতে শিশুদের নিউমোনিয়া, ভাইরাল ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগ বাড়ছে। গত কয়েকদিনে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাই বেশি। এজন্য চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ