প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিরোধী নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শোকবার্তায় তিনি বলেন, বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, আওয়ামী লীগের সাবেক
রাজনৈতিক, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত অভিভাবককে হারিয়ে শোকে ম্যুহমান হয়ে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দেশের প্রতিটি মানুষকে এই শোক ধারন করে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায়
প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে এ শোক পালন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট এডভোকেট আবদুল হামিদ এ শোক ঘোষণা
রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব নেসার উদ্দিন ভূঁইয়া। বুধবার রাতে বঙ্গভবনে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সিঙ্গাপুর থেকে দেশে নিয়ে
আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৪ বছর। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশে বলেছেন, উনি রক্ত নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চান। তিনি দুই বারের প্রধানমন্ত্রী। বিরোধী দলের নেতা। তিনি কিভাবে মানুষের রক্ত চান? যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার
ঢাকা, ১৬ মার্চ, ২০১৩ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ের মিলনায়তনে আজ শনিবার পার্টির প্রেসিডিয়ামের এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এই
স্পিকার মো. আবদুল হামিদ এডভোকেটকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান অসুস্থতার কারণে বর্তমানে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাই প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে সাময়িকভাবে অসমর্থ হওয়ায় স্পিকারকে
স্টাফ রিপোর্টার:নয়া পল্টনে বিএনপি’র তিগ্রস্ত কার্যালয় পরিদর্শন শেষে বিরোধী নেত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে প্রেস নোট দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস নোটটি নিচে হুবহু তুলে
দেশের রেল যোগাযোগের উন্নয়নে একটি মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এ সরকারের মেয়াদেই এটি চূড়ান্ত করা হবে এবং কিছু কাজ এগিয়ে রাখা হবে। পরবর্তী সরকার তাদের পাঁচ বছর মেয়াদে ওই প্ল্যান বাস্তবায়ন