ভারতের নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের আইন হাতে তুলে নিতে আগেই নিষেধ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। অশান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। এবার পুরো ঘটনার পেছনে
বিশ শতকের শুরুর দিকে আর্মেনিয়ায় তুরস্ক গণহত্যা চালিয়েছে বলে মার্কিন সিনেটে প্রস্তাব পাস করার প্রতিবাদে তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে তুর্কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেট সর্বসম্মতিক্রমে ওই
নমামী গঙ্গের অনুষ্ঠানে গিয়ে সিঁড়িতে পড়ে গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে সেই দৃশ্য দেখা যায়। আজ শনিবার নমামী গঙ্গের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানে
উত্তর কোরিয়ার এক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শেষ করার কথা জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। জানানো হয়, গত শুক্রবার রাতে এই পরীক্ষাটি করা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে
ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে দিকে দিকে উত্তাল হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গ। কোথাও রেললাইন অবরোধ করে, আবার কোথাও মহাসড়কে টায়ার পুড়িয়ে প্রতিবাদ করে সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদ চলছে কুশপুত্তলিকা দাহ করে। বিক্ষোভকারীদের
আসামের পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক হয়নি। গুয়াহাটিতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে কারফিউ। নিরাপত্তার কথা বলে ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা এখনো বন্ধ রাখা হয়েছে। শুক্রবারই অল আসাম
রেপ ইন ইন্ডিয়া’ মন্তব্যের জন্য যে তার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না, আরেকবার তা জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। রাহুল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলেন, সত্য কথাই বলেছি। তাই ক্ষমা চাইবো
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ দু’টি অভিযোগ অনুমোদিত হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ’র জুডিশিয়ারি কমিটিতে ওই অভিযোগ অনুমোদন পেয়েছে। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ’র মূল জুডিশিয়ারি কমিটি ট্রাম্পকে
ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলটি পাসের পর এখন তা আইনে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নাগরিকত্ব আইনের সংশোধনী নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। এদিকে, নাগরিকত্ব আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এর
সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল সংসদে উত্থাপন করার পর থেকেই উত্তরপূর্ব ভারতে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে দুই কক্ষে পাস হয়ে বিলটি এখন আইন। সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ হচ্ছে