জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ে আসামিদেরকে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকার অর্থদণ্ড স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া সাজার রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শুনানি অনুষ্ঠিত
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন প্রস্তুত করেছেন তার আইনজীবীরা। আদালতে আজ (বৃহস্পতিবার) খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন গ্রহণ করার পর হাইকোর্টে তার জামিন আবেদন দাখিল করা
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে করা আপিলের শুনানির জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আদালত। গতকাল (সোমবার) বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আজই (২০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার) আপিল করবেন তার আইনজীবীরা। আদালত আপিল আবেদন গ্রহণ করার পর খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে আবেদন
অবশেষে রায় ঘোষণার ১২ দিন পর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, রায় মোট ৬৩২ পৃষ্ঠার। এটি অনুলিপির
নাশকতার ছয় মামলায় ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কুমিল্লা বিএনপির ৬৩৯ নেতা-কর্মীকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল
দেশের ৬৮টি কারাগারে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণে ৭ বছরের বেশি সময় ধরে আটক ১৩৯ জনের বিচার আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত এক আবেদনের
দুদকের দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের সার্টিফায়েড কপি আগামীকাল সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে
রাজধানীর রামপুরা থানার বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলায় বিএনপি নেতা বরকতউল্লাহ বুলুসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা অভিযোগপত্র