1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আজ আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করছে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় বৃহস্পতিবার ছাত্রদলেই আমার রাজনৈতিক শিক্ষা: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর আমজনতার তারেক চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট টেস্টের আগের দিন মুশফিকের আঙুলে চোট, খেলা নিয়ে শঙ্কা জাপান থেকে ৫ বছরে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা দুই প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিল জাপান ঢাকা-চট্টগ্রামে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয় গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, দীর্ঘ যানজট তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

সচিবালয় স্থানান্তর: পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ ফেরত দাবি শেকৃবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩৬ Time View

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

ঢাকার শেরেবাংলা নগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা ‘শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দিয়ে’ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

মাঠটি নিজেদের দাবি করে তা পুনরুদ্ধারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মানববন্ধনে এ হুঁশিয়ারি দেন তারা।

পরে প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলন করে ‘বাণিজ্য মেলার মাঠ পুনরুদ্ধার কমিটি’।

প্রেস ক্লাবের সামনের মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, “পরিবেশবাদীসহ ঢাকা শহরের সকল বাসিন্দা জনবান্ধব একটি পরিবেশ ধ্বংস করে সেখানে সচিবালয় স্থাপনের পক্ষে নন।

“আমরা সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, জনমত ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতামত উপেক্ষা করে সরকার এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিলে তা জনগণ, ঢাকাবাসী ও ছাত্রজনতা মেনে নেবেন না।”

রফিকুল ইসলাম বলেন, “যদি সেটি করতে হয়, ছাত্রদের রক্তের উপর দিয়ে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা অবশ্যই জানি, সরকার এ রকম একটি বিষয়ে অবিবেচক সিদ্ধান্ত নেবে না।”

তিনি বলেন, “স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই মাঠ বাণিজ্য মেলার জন্য ব্যবহার করা হতো। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনমত উপেক্ষা করা হয়েছিল।

“মাঠটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, গবেষণা প্লট ও ফার্ম ছিল। সেসব সরিয়ে বাণিজ্য মেলার কার্যক্রম শুরু করা হয়। দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় তখন বিষয়টি সমর্থন করেছিল।”

অধ্যাপক রফিকুল বলেন, সরকার বাণিজ্য মেলা পূর্বাচলে স্থানান্তর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মাঠটি ফিরে পেতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা, ঢাকা জেলা প্রশাসক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি ওই মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারের চিন্তাভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। সেখানে সচিবালয় স্থাপন করা হলে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নান্দনিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। একইসঙ্গে ঢাকা শহরের পরিবেশের ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার স্বার্থেই শুধু নয়; ঢাকা শহরের পরিবেশ, সৌন্দর্য ও অক্সিজেনের উৎস হিসেবে বিবেচিত সবুজ এলাকা রক্ষার জন্যও তারা এই মাঠ ফিরে পেতে চান।

তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ‘বাণিজ্য মেলার মাঠ পুনরুদ্ধার কমিটি’র আহ্বায়ক অধ্যাপক এম সালাহউদ্দিন এম চৌধুরী।

তিনি বলেন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শহরের মধ্যে একটি সবুজ গ্রামের মতো। এর পাশেই ঐতিহাসিক জিয়া উদ্যান, যেখানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল রয়েছে। এই দুই নান্দনিক স্থাপনার মাঝখানে বিশাল ইট-পাথরের ভবন নির্মাণ করা হলে শেরেবাংলা নগরের ছায়াঘেরা পরিবেশ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের এ অধ্যাপক বলেন, “ঢাকায় কতটুকু সবুজ জায়গা অবশিষ্ট আছে তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। আজ থেকে ২০ বা ৩০ বছর পর ঢাকার চিত্র কেমন হবে, তা এখনই ভাবতে হবে।

“ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পর্যাপ্ত গাছপালা পাবে কি না; নিরাপদে হাঁটার রাস্তা, পার্ক, খেলার মাঠ ও নির্মল পরিবেশ পাবে কি না, তা বিবেচনায় নিতে হবে।”

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতামত উপেক্ষা করে সেখানে কংক্রিটের স্থাপনা বাড়ানো হলে শহরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা ব্যাহত হবে বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন।

তিনি বলেন, এতে শিশু, প্রবীণ ও সাধারণ নাগরিকদের হাঁটাচলা ও মুক্তভাবে শ্বাস নেওয়ার জায়গা কমে আসবে। পাশাপাশি মাঠটি না পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি গবেষণার পরিকল্পনাও মুখ থুবড়ে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল মাঠটি ফেরত পাওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি দেন।

১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেরেবাংলা নগর মাঠে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। ২০২২ সাল থেকে মেলাটি বসছে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে।

এর মধ্যে গত ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একসভায় সচিবালয় পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

কী মধু ভিসি পদে, সবাই কেন ইঁদুর দৌড়ে?

‘হোটেল রুয়ান্ডা’র বাইরের গল্প এবং নাভি পিল্লাইয়ের লড়াই

সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ও বিকল্প আয়: মেন্টর যখন টিআইকে

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ