1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে থাইল্যান্ডকে দুই প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ রাবিতে সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও আইন বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু এবার একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্য ক্লোজড ‘ইবলিশ চত্বর’: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মাঠের এই অদ্ভুত নামের গল্প জানেন? ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ৪ আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নেপাল যাচ্ছেন রাবির পাঁচ শিক্ষার্থী বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ ৩০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যে স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনে ব্যাংক হিসাবে আরও বেশি অর্থ দেখাতে হবে নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে বিএনপি: আসিফ মাহমুদ

বিশ্বব্যাংক থেকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ পেলো বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৫৬ Time View

করোনা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রতি ডলার সমান ৯৫ দশমিক ১৬ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৮৫৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

আজ রোববার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে। এতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শরিফা খান ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন সই করেন।

লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদকাল জানুয়ারি ২০২২ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।

বিশ্বব্যাংকের স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) মুদ্রায় এ ঋণ নেওয়া হবে এবং পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। তবে উত্তোলিত ঋণের ওপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং এক দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদ পরিশোধ করতে হবে।

অনুত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ হারে কমিটমেন্ট ফি দেওয়ার বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাংক কমিটমেন্ট ফি দেওয়ার বিষয়টি মওকুফ করে আসছে।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো- কোভিড-১৯ অতিমারি থেকে উত্তরণে নগর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং অত্যাবশ্যকীয় নাগরিক সুবিধাসমূহ নিশ্চিত করা। এর মধ্যে রয়েছে- পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্যানিটেশন, ড্রেনেজ ইত্যাদি। এছাড়া প্রকল্পের মাধ্যমে ভ্যাকসিন বিতরণ কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছানো এবং সিটি করপোরেশন ও পৌরসভাগুলোর নিজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইটিভিত্তিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ