1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৩ Time View

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার। অন্য সব সাধারণ নাগরিকের মতো প্রতিটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষাবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটি’র সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এ কথা বলেন। সভায় আরো বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল।

স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের ২২টি জেলার ২২টি উপজেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধী শিশু ও ব্যক্তিদের সার্বিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া ঢাকার কড়াইল বস্তিতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শনাক্তকরণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ইতিমধ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ইতিমধ্যে বেশ কিছু অগ্রগতি দৃশ্যমান হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের যেকোনো শ্রেণিতে এবং মেট্রোরেলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন নির্মিতব্য সব স্টেশনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুধু যাতায়াতের র‍্যাম্প নয়, টিকিট কাটা থেকে শুরু করে যানবাহনে ওঠা ও টয়লেট ব্যবহারসহ পুরো ভ্রমণ নির্বিঘ্ন ও এক্সেসিবল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় প্রতিবন্ধী শিশুদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে ড. মুহিত বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিশেষায়িত স্কুলগুলোকে আরো সুসংগঠিত করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সাধারণ স্কুলগুলোকেও প্রতিবন্ধীবান্ধব করা হচ্ছে, যাতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী কোনো শিশুই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। পাশাপাশি পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংস্কার, ব্রেইল পদ্ধতি এবং সাইন ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার নিশ্চিত করতেও কাজ চলছে।

সভায় সমাজকল্যাণপ্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল বলেন, ভৌত কাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতেও প্রতিবন্ধীদের প্রবেশগম্যতা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিটি প্রতিবন্ধী মানুষের ভেতরের বিশেষ মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ