1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আজ আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করছে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কুষ্টিয়ায় ৬ হত্যা: হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় বৃহস্পতিবার ছাত্রদলেই আমার রাজনৈতিক শিক্ষা: আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর আমজনতার তারেক চূড়ান্ত হল চট্টগ্রাম ফ্র‍্যাঞ্চাইজ টি-২০ লিগের ৪ সেমিফাইনালিস্ট টেস্টের আগের দিন মুশফিকের আঙুলে চোট, খেলা নিয়ে শঙ্কা জাপান থেকে ৫ বছরে ৬.৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা দুই প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিল জাপান ঢাকা-চট্টগ্রামে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয় গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, দীর্ঘ যানজট তাকাইচিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

পূর্বাচল নতুন শহর নির্মাণ প্রকল্পের সময় বাড়ছে

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৫৫ Time View

স্মার্ট এবং আধুনিক সিটি হিসেবে পূর্বাচলকে গড়ে তুলতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হতে আরও সময় লাগবে। এ কারণে পূর্বাচল নতুন শহর নির্মাণ প্রকল্পের মেয়াদ আরও ২ বছর বাড়াতে চায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এদিকে দৃষ্টিনন্দন করতে পুরো পূর্বাচল প্রকল্পেই আধুনিকতা এবং সৌন্দর্যের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। যার ধারাবাহিকতায় পূর্বাচল আবাসিক এলাকায় জুড়ে তৈরি হচ্ছে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ কৃত্রিম লেক। লেকের দুধারে থাকছে প্রায় ৮৬ কিলোমাটার ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক ও ঝুলন্ত ব্রিজ।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী উজ্জ্বল মল্লিক বলেন, পূর্বাচল প্রকল্পের কৃত্রিম লেকটি হবে আঁকাবাকা, যা প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। লেকের দু’ধারে থাকবে ৮৬ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে। লেকের মাঝখানে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে স্থাপন করা হবে ইকোপার্ক। ইকোপার্কের সঙ্গে সংযোগ করা হবে ঝুলন্ত ব্রিজ। লেকে থাকবে ভাসমান রেস্তোরাঁ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। দৃষ্টিনন্দন এ লেকের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

তিনি আরও বলেন, পুরো পূর্বাচল প্রকল্পেই আধুনিকতা এবং সৌন্দর্যের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত খোলা জায়গা, খেলার মাঠ, ওয়াকওয়ে, প্রচুর গাছ-পালা, জলাধারের বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। গোটা প্রকল্পটি সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাথায় রেখে। শহরের কোলাহলে যাতে এলাকার বাসিন্দারা একটি নিরিবিলি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে এই ব্যবস্থা থাকবে উপশহরটিতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পের মেয়াদ জুন-২০১৮ তে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নানা সমস্যা ও সার্বিক দিক বিবেচনায় নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব হবে না। তাই সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আরও ২ বছর সময় চেয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে।

জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেও ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ না হওয়া, চলতি বছরের শুরুতে কিছু এলাকার কাজ শুরুর জন্য ওয়ার্ক অর্ডার দেয়া, উন্নয়ন কাজে স্থানীয়দের বাধা, পরিবেশবাদী সংগঠনের মামলা ও আদালত কর্তৃক উন্নয়ন কাজে স্থিতাবস্থা থাকাসহ নানা সমস্যা ও বাধার কারণে নির্দিষ্ট সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানা গেছে। এসব কারণে প্রকল্পটি শেষ করতে তিন বছরের পর এবার নতুন করে আরও দুই বছর সময় বাড়ানোর চিন্তা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ