1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির লক্ষ্য বিওয়াইডি গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে মিডল্যান্ড ব্যাংক অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘অর্ণব’, বাংলাদেশে কেমন প্রভাব পড়বে? রাতের মধ্যে দেশের যে ৬ জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস ‘ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের’ মুশফিক-লিটনকে নিয়ে শঙ্কার পর স্বস্তি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল নয়, শান্তর চোখ এখন কেবল মিরপুর টেস্টে জাপানের কিংবদন্তি মাঙ্গা শিল্পী তেৎসুয়া চিবা মারা গেছেন অভিষেক-সূর্যবংশীর তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে বিশ্বরেকর্ড, ভারতের তিনে তিন সৌদিয়ার ঢাকা-রিয়াদ ফ্লাইট চালু হতে পারে বুধবার

ডালের তৈরি বড়ায় চলছে অর্ধশতাধিক পরিবার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৬
  • ১৩১ Time View

5শীতকালে সবজির সঙ্গে মুখরোচক খাবার হলো ডালের বড়া। স্থানীয়ভাবে এটিকে বলা হয় কুমুড় বড়া। সারা বছর এর কদর থাকলেও শীতকালে চাহিদা বেড়ে যায় দ্বিগুণ। তাই এখন সেনপাড়াতে চলছে কুমুড় বড়া তৈরির ধুম। সেনপাড়ার অর্ধশতাধিক পরিবারের বর্তমান আয়ের প্রধান উৎস এই বড়া বিক্রির টাকা।

বড়া তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে মাশকলাই (ডাল)। মূলত বড়া তৈরির জন্য মাশকলাইয়ের সঙ্গে চালের আটা মিশিয়ে বড়া তৈরি করা হয়। শেষ রাতে ঘুম থেকে উঠে বড়া বানানোর কাজে লেগে যায় সেনপাড়ার অর্ধশতাধিক পরিবারের নারী-পুরুষ। এমনকি প্রতিটি বাড়ির ছেলেমেয়েরাও বড়া তৈরির কাজ করে।

সেনপাড়ার বাসিন্দা শ্রী বিনয়চন্দ্র বড়া তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলেন, সারারাত বালতি বা বড় পাতিলে মাষকলাই পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। পরে তা চালের আটার সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট গুটি করতে হয়। এসব গুটি পাতলা কাপড় অথবা টিনের উপরে রেখে রোদের তাপে শুকাতে হয়। রোদ ভালো হলে দুই দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয় বড়া।

সুধীর সরকার বলেন, বারো মাস বড়া তৈরি করে হাট-বাজারে বিক্রি করেন। বড়া বিক্রির টাকায় চলে সংসার। তবে শীত শুরু হওয়ায় বাজারে বড়ার চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বড়া তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগের চেয়ে এখন ৪-৫ দিন পর পর বড়া বিক্রি করে ভালো টাকা আয় করছেন।

সুনতা রানী বড়া সম্পর্কে বলেন, সবজি তরকারি ছাড়াও বড়ার ভর্তা তৈরি করে খাওয়া যায়। বিশেষ করে আগের রাতে বড়ার সঙ্গে মাছ, মুলা এবং বেগুন দিয়ে ঝোল তরকারি রান্না করে পরের দিন সকালে গরম ভাতের সঙ্গে খেলে তৃপ্তি সহকারে ঢেকুর ওঠে। বছরের অন্য সময় বড়ার চাহিদা কম থাকায় সংসার ভালো চলে না। তবে শীত মৌসুমে বড়া বিক্রি করে ভালোই চলে তাদের সংসার।

উজ্জ্বলচন্দ্র সরকার জানান, ভালোমানের বড়া প্রতি কেজি ৩০০ টাকা আর একটু কম মানের বড়া ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। সেনপাড়ার তৈরি বড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়। এছাড়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহরের ব্যবসায়ীসহ আশপাশ উপজেলার ব্যবসায়ী ও পাইকারেরা এখান থেকে বড়া কিনে নিয়ে যায়।

মাশকলাই ডালের বড়ার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বড়ার অন্যতম উপাদান হলো মাশকলাই। আর মাশকলাইয়ে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন। সবজি জাতীয় খাবারের পাশাপাশি শিশুদের ডালের বড়া খাওয়ালে শিশুর দেহ গঠনে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

সেনপাড়ায় বড়া তৈরি প্রসঙ্গে শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন, বড়া বিক্রি করে সেনপাড়ার অর্ধশতাধিক পরিবার সংসারের চাহিদা মিটিয়ে ছেলেমেয়ের লেখাপড়া চালাচ্ছে। এছাড়া বড়া বিক্রির টাকায় এসব পরিবারের অনেকের জীবন-জীবিকা এখন ভালোই চলছে।

তবে প্রশিক্ষণ, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক সহযোগিতাসহ বড়া বাজারজাত করার ব্যাপারে সরকার পদক্ষেপ নিলে এসব পরিবারের লোকজন আরও বেশি লাভবান হতে পারতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ