মার্সেইয়ের মাঠে ম্যান সিটির দাপুটে জয়

মার্সেইয়ের মাঠে ম্যান সিটির দাপুটে জয়

চোটে আগে থেকেই বাইরে গাব্রিয়েল জেসুস। একই কারণে পরে ছিটকে যান দলের রেকর্ড গোলদাতা সার্জিও আগুয়েরোও। দুই তারকা ফরোয়ার্ডের অনুপস্থিতিতে পথ দেখালেন ফেররান তরেস, ইলকাই গিনদোয়ান ও রাহিম স্টার্লিং। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুই দলের প্রথম দেখায় মার্সেইয়ের বিপক্ষে দারুণ জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি। ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে মার্সেইয়ের মাঠ থেকে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে সিটি।

প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অষ্টাদশ মিনিটে এগিয়ে যায় সিটি। ব্যাকপাসে মার্সেইয়ের ভাঁলোতাঁ বল তুলে দেন সিটির কেভিন ডে ব্রুইনের পায়ে। বেলজিয়ামের মিডফিল্ডারের আড়াআড়ি ক্রস থেকে অনায়াসে লক্ষ্যভেদ করেন তরেস।

৩৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো পোর্তোকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরু করা সিটি। মার্সেইয়ের লিওনার্দো বেলার্দির পা হয়ে বল পেয়ে যান সিটির অলেকসান্দার জিনচেঙ্কো। ইউক্রেনের এই মিডফিল্ডারের শট পোস্টে লেগে ফেরে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ভাগ্যের ফেরে গোল পায়নি আগের ম্যাচে অলিম্পিয়াকোসের কাছে হেরে আসর শুরু করা মার্সেই। ফ্লোরিয়ান থাউভিনের দূরপাল্লার শট এদেরসনকে ফাঁকি দেওয়ার পর পোস্টে লেগে ফেরে।

৭০তম মিনিটে স্টার্লিংয়ের বাড়ানো বল ধরে গিনদোয়ানোর শট ফেরান মার্সেই গোলরক্ষক। ছয় মিনিট পর জার্মান এই মিডফিল্ডারের গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। সতীর্থের লম্বা পাস ধরে ফিল ফোডেন আড়াআড়ি ক্রস বাড়ান ডি-বক্সে। স্টার্লিংয়ের হেডের পর বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন গিনদোয়ান।

স্টার্লিংয়ের ৮১তম মিনিটের গোলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলটির জয় নিশ্চিত হয়ে যায় অনেকটাই। সতীর্থের থ্রু পাস ধরে ডে ব্রুইনের আড়াআড়ি ক্রসে গোলমুখ থেকে অনায়াসে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

Leave a Reply