করোনা মোকাবিলায় ১১.২ বিলিয়ন আর্থিক সহায়তা এডিবি’র

করোনা মোকাবিলায় ১১.২ বিলিয়ন আর্থিক সহায়তা এডিবি’র

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরও দ্রুত, বেগবান ও সহজ করতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রায় ১১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।

এছাড়া উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে ৭ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের কো-ফাইন্যান্সিং করেছে এডিবি।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী এডিবি’র ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনার প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরের উন্নয়নশীল অর্থনীতির সঙ্গে অংশীদার হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এডিবি।

এডিবি’র প্রেসিডেন্ট মাসাতাসুগু আসাকাওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের অঞ্চল অনিশ্চিত সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। একটি টেকসই, স্থিতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন পুনরুদ্ধারে আমরা কাজ করছি। আমাদের সদস্যদের সঙ্গে কয়েক দশক ধরে সহযোগিতা নিয়ে পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েছি।’

এডিবি প্রেসিডেন্ট কোভিড-১৯ মহামারিজনিত কারণে ভার্চুয়াল এবং সংক্ষিপ্ত আকারে অনুষ্ঠিত এডিবি’র গভর্নর বোর্ডের ৫৩তম বার্ষিক সভার দ্বিতীয় অংশের ব্যবসায় অধিবেশন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন।

অঞ্চলটির উন্নয়ন পুনরুদ্ধারের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আসাকাওয়া বলেছেন, এডিবি এজন্য তাদের সদস্যদের সঙ্গে ছয়টি মূল খাতে আরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।

প্রথম. এডিবির আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরও শক্ত করবে। যাতে সদস্যরা সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে যেকোনো নতুন মহামারি সহজে মোকাবিলা করতে পারে।

দ্বিতীয়. যেহেতু কোভিড-১৯ আয়ের বৈষম্য এবং দারিদ্র্য বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তাই এডিবি স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ জোরদার করবে, যা সবার জন্য সুরক্ষা এবং সুযোগগুলো আরও নিশ্চিত করবে।

তৃতীয়. এডিবি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করবে। দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ২০৩০-এর মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জলবায়ুখাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি করবে।

চতুর্থ. এডিবি স্বাস্থ্যের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি এবং ডেটায় বিনিয়োগ করবে; শিক্ষা, ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি উদ্যোগের জন্য অর্থায়ন করবে। পাশাপাশি ডিজিটাল এবং সাইবার সুরক্ষায় কাজ করবে।

পঞ্চম. এডিবি তার সদস্যদের আন্তর্জাতিক কর সহযোগিতার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সংস্থান জোরদার করতে সহায়তা করবে।

সবশেষে, এডিবি তার উন্নয়নশীল সদস্যদের নিরাপদ এবং কার্যকর ভ্যাকসিনগুলো সুরক্ষিত করতে ন্যায়সঙ্গত বিতরণের জন্য কৌশল গঠনের প্রচেষ্টাকে কাজে লাগাবে। এলক্ষ্যে এডিবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে থাকবে।

Leave a Reply