শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে বসছে নিয়মিত ১৮ হাইকোর্ট বেঞ্চ

শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে বসছে নিয়মিত ১৮ হাইকোর্ট বেঞ্চ

দীর্ঘ সাড়ে চার মাস পর আগামী ১২ আগস্ট বুধবার থেকে শারীরিক উপস্থিতির মাধ্যমে নিয়মিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বসছে। এজন্য প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই বেঞ্চ গঠন করেছেন। তবে ভার্চুয়ালিও চলবে হাইকোর্টের বিচার কার্যক্রম। শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়ালি বেঞ্চ বসার বিষয়ে আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) মোহাম্মদ আকতারুজ্জামানের স্বাক্ষরে মোট ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করে পৃথক দুই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এদিন শারীরিক উপস্থিতিতে ১৮টি বেঞ্চ বসবে। এরমধ্যে ৫টি একক বেঞ্চ ও ১৩টি দ্বৈত বেঞ্চ বসবে। আর ভার্চুয়ালি বসবে ৩৫টি বেঞ্চ। এরমধ্যে ১১টি একক বেঞ্চ ও ২৪টি দ্বৈত বেঞ্চ বসবে। প্রধান বিচারপতি এসব বেঞ্চ গঠন করেছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশের সকল নিয়মিত আদালত কার্যক্রম বন্ধ ঘোষনা করা হয়। এই অবস্থায় জরুরী মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য গত ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। এই ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু নিয়মিত আদালত খুলে দেওয়ার জন্য আইনজীবীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এজন্য আইনজীবীরা আন্দোলনে নামেন। এ পরিস্থিতিতে গত ৫ আগস্ট থেকে শারীরিক উপস্থিতিতে সারা দেশে অধস্তন আদালত খুলে দেওয়া হয়। এরপর ৬ আগস্ট প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টে ফুলকোর্ট সভায় শারীরিক উপস্থিতি ও ভার্চুয়ালি হাইকোর্টে বিচার কাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের আলোকে প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টে ৫৩টি বেঞ্চ গঠন করেছেন।

শারীরিক উপস্থিতিতে যে ১৮টি বেঞ্চ বিচারকার্য পরিচালনা করবেন- বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ; বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান, বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল, বিচারপতি এসএম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী; বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীব; বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর; বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হক; বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান; বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিন; বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার; বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খান; বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান; বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম; বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন; বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার; বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার, বিচারপতি জাফর আহমেদ এবং বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী।

ভার্চুয়ালি যে ৩৫টি বেঞ্চ বিচারকার্য পরিচালনা করবেন-বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান; বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম; বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদী; বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলী; বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক; বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী; বিচারপতি মো. রইস উদ্দিন ও বিচারপতি শশাংঙ্ক শেখর সরকার; বিচারপতি মো. ইমাদুদল হক আজাদ, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাস; বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান; বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খিজির হায়াত; বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামান; বিচারপতি সৌমেন্দ্র সরকার, বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমান; বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল; বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান, বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন; বিচারপতি এএনএম বসির উল্লাহ, বিচারপতি আবদুর রব ও বিচারপতি মো. সেলিম; বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম; বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. বদরুজ্জামান; বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ; বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবির; বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল; বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. মহি উদ্দিন শামীম; বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা; বিচারপতি একেএম সাহিদুল হক, বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান; বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন; বিচারপতি মাহমুদুল হক, বিচারপতি কাশেফা হোসেন এবং বিচারপতি মো. সেলিম।

Leave a Reply