ছুটিতে শিক্ষার্থীদের নিজ বাসস্থানে অবস্থান নিশ্চিতের নির্দেশ

ছুটিতে শিক্ষার্থীদের নিজ বাসস্থানে অবস্থান নিশ্চিতের নির্দেশ

করোনাভাইরাসের কারণে আগামী ৬ আগস্ট শেষ হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি। এই ছুটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে বর্ধিত ছুটির মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিজ বাসস্থানে অবস্থান নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-অভিভাবক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে কঠোরভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশনা এলো।

আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে ছুটির এই নতুন তারিখ নির্ধারণ করে। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনলাইনে মিটিং করে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানান।

পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, করোনা সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগের বন্ধের ধারাবাহিকতায় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনার সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবেন। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন মেনে চলতে হবে বলে মন্ত্রণালয়ের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক দফায় সেই ছুটি বাড়িয়ে আগস্ট মাসের পুরোটাই ছুটি ঘোষণা করা হলো। করোনার কারণে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।

জানা যায়, শিক্ষার ক্ষতি পোষাতে একাধিক পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। আগামী সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারলে ডিসেম্বরেই সব পরীক্ষা শেষ করতে চায় মন্ত্রণালয়। তবে নভেম্বরের পিইসি-ইবতেদায়ী এবং জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও এসব পরীক্ষা পিছিয়ে নিয়ে ডিসেম্বরে আয়োজন করা হতে পারে।

তবে সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে না পারলে শিক্ষাবর্ষ দুই মাস অর্থাৎ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাবর্ষ বাড়ানোর বিকল্প চিন্তাও আছে জানা গেছে। সব ধরনের পরিকল্পনার জন্যই সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

Leave a Reply