২০১১ সালের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ

২০১১ সালের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ

করোনাভাইরাসের মধ্যে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। বেশ কয়েক রেকর্ড দামও বৃদ্ধি পেয়েছে স্বর্ণের। এরই মধ্যে মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স এক হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এটি ২০১১ সালের পর সর্বোচ্চ দামবৃদ্ধি।

বুধবারও স্বর্ণের দামবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল। বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতি আর্থিক বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে বিনিয়োগকারীরা। তাই ব্যাপক হারে স্বর্ণের মজুদ করছেন বিনিয়োগকারীরা। এর ফলে হু হু করে বাড়ছে স্বর্ণের দাম।

মার্কেট ইনসাইডার জানিয়েছে, বুধবার আউন্স প্রতি স্বর্ণের দাম বেঢ়ে এক হাজার ৮০৪.৮০ ডলারে দাঁড়ায়। এর ফলে চলতি বছর এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ১৯ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে ২০১১ সালে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম রেকর্ড এক হাজার ৯২১.১৮ ডলার হয়।

করোনার কারণে চলতি বছরের শুরু থেকেই স্বর্ণের দাম বাড়তে শুরু করে। গত বছরের শেষদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১৪৫৪ ডলার। এরপর করোনা মহামারির মধ্যে স্বর্ণের দাম বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে ১৬৬০ ডলারে দাঁড়ায়।

মার্চে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে প্রতি আউন্স ১৪৬৯ ডলারে নেমে আসে। তবে মে মাসে দাম বেড়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম রেকর্ড ১৭৪৮ ডলারে ওঠে। এরপর থেকেই মূলত টানা বাড়ছে স্বর্ণের দাম। ফলে প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার কারণে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণ কিনে মজুদ করছে। এ কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে ২৩ জুন বাংলাদেশেও নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯ হাজার ৮৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৬ হাজার ৭১৮ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৭ হাজার ৯৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন স্বর্ণের দাম ৪৭ হাজার ৬৪৭ টাকা করা হয়েছে।

Leave a Reply