বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি : ৩২ জনের লাশ শনাক্ত

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি : ৩২ জনের লাশ শনাক্ত

ঢাকার শ্যামবাজারের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে এক লঞ্চের ধাক্কায় আরেকটি ছোট লঞ্চ ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত রাজধানীর মিডফোর্ড হাসপাতাল থেকে ৩২ জনের লাশ শনাক্ত করেছে স্বজনরা।
এ লাশগুলো হস্তান্তর করা হচ্ছে বলে জানান মর্গে দায়িত্বরত এসআই ফজিকুল ইসলাম।
ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রোজিনা ইসলাম বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার পর তাদের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মীরাও সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।
লঞ্চে ৫০ যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, লঞ্চে আড়াই থেকে তিনশ’ যাত্রী ছিল। দু’টি লঞ্চের সংঘর্ষের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত অন্তত ২৬টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও অনেকে এখনও নিখোঁজ আছেন। তাদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, নৌবাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্য ও স্থানীয়রা।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার পর ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদের পাশাপাশি নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড সদস্যরাও সেখানে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।
বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক মো. সেলিম জানান, মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে সদরঘাটের দিকে আসছিল মর্নিং বার্ড। শ্যামবাজারের কাছে নদীতে চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় সেটি মাঝ নদীতে ডুবে যায়। মর্নিং বার্ড নামের ওই লঞ্চে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন।

Leave a Reply