আম্ফান মোকাবেলায় ৫১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার উদ্যোগ

আম্ফান মোকাবেলায় ৫১ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার উদ্যোগ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় এলাকাকার ৫১ লাখ ৯০ হাজার ৪২ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য ১৯ টি জেলায় ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই উপকূলীয় এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আনা শুরু হবে।

সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট জাতীয় দুর্যোগ সমন্বয় সাড়াদান কেন্দ্রের (এনডিআরসিসি) এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থানা ও ত্রণা প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

সভায় দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় মানুষের জন্য তিন হাজার ১০০ টন চাল, নগদ ৫০ লাখ টাকা, শিশুখাদ্যের জন্য ৩১ লাখ টাকা, পশু খাদ্যের জন্য ২৮ লাখ টাকা এবং ৪২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়।

সোমবার দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, এর আগে ঘূর্ণিঝড় ফনিতে ১৮ লাখ এবং বুলবুলের সময় ২৩ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছিল।

তিনি জানান, উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষকে সতর্কতামূলক মাইকিং শুরু করেছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার ক্ষেত্রে গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে-ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মঙ্গলবার রাতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘান হানতে পারে। সোমবার বিকালে ঘুর্ণিঝড়টি দেশের উপকূল থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। সোমবার বিকাল পর্যন্ত মংলা ও খুলনা সমুদ্র বন্দর এলাকায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেয় আবহাওয়া অফিস। কক্সবাজার ও চট্রগ্রাম এলাকায় ৬ নম্বর সংকেত দেখানো হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকার মাছধরা ট্রলার ও নৌকাকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply