গলাচিপা ও চিতলমারীতে অজ্ঞান করে পরিবারের সর্বস্ব লুট

গলাচিপা ও চিতলমারীতে অজ্ঞান করে পরিবারের সর্বস্ব লুট

পটুয়াখালীর গলাচিপার প্রত্যন্ত পল্লীতে গভীর রাতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে চেতনানাশক স্প্রে করে দুই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার গভীর রাতে উপজেলার গজালিয়া গ্রামে। চেতনানাশক স্প্রেতে অসুস্থরা বর্তমানে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

গজালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শাহাবুদ্দিন জানান, রবিবার রাত ১২টার দিকে বাড়ির সবাই খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সুযোগে সংঘবদ্ধ একটি দুষ্কৃতিকারী চক্র তাদের ঘরের টিন কেটে দরজা খুলে ভেতরে ঢোকে। পরে সকলকে ঘুমন্ত অবস্থায় চেতনানাশক স্প্রে করে অজ্ঞান করে প্রায় ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। পরিবারের সবাই অসুস্থ থাকায় আসলে কী পরিমাণ স্বর্ণ ও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না।

গলাচিপা থানার ওসি আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অসুস্থরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। সুস্থ হলে বলা যাবে আসলে তাদের কী পরিমাণ টাকা বা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে।

এদিকে একই ঘটনা ঘটেছে বাগেরহাটের চিতলমারীতে। খাবারে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে এক পরিবারের নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, সেলাই মেশিনসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে করেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার খড়মখালি গ্রামে বাবু মন্ডলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। চেতনানাশকে ওই পরিবারের পাঁচ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মামুন হাসান জানান, সকাল ৯টার দিকে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের খাবারের সাথে তাদের চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। ভর্তিকৃত এখন আশঙ্কামুক্ত।

চিতলমারী থানার পরিদর্শক মীর শরীফুল হক জনান, খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply