শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের আন্দোলনে অচলপ্রায় বশেমুরবিপ্রবি

শিক্ষার্থী-কর্মচারীদের আন্দোলনে অচলপ্রায় বশেমুরবিপ্রবি

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্তৃক বিভাগ বন্ধের নির্দেশনার প্রতিবাদে আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে তিন দফা দাবি নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন অস্থায়ী কর্মচারীরা।

৬ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইতিহাস বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের সিন্ধান্তের প্রতিবাদে ও ইতিহাস বিভাগের স্থায়ী অনুমোদনের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও একাডেমিক ভবন তালা লাগিয়ে চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। কার্যত অবস্থায় অচলাবস্থা বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বিভাগটির তৃতীয় বষের্র এক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনযায়ী সকল শর্ত মেনে যোগ্যতা অনুযায়ী আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু সাবেক উপাচাযের্র স্বেচ্ছাচারিতায় অনুমোদনহীন বিভাগ চালু করায় বর্তমানে আমাদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে।

তিনি আরো বলেন, সাবেক উপাচার্যের অপরাধের শাস্তি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে।

বিভাগের যৌক্তিক আন্দোলন সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ।

এদিকে চাকরি স্থায়ীকরণ, বকেয়া বেতন পাওয়াসহ তিন দফা দাবি নিয়ে ৬২ দিনের মতো আন্দোলন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারীরা। আজ রবিবার বেলা ১১টার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

আন্দোলনকারী কর্মচারীরা বলেন, চাকরি স্থায়ীকরণ না হওয়ায় বিগত ৪ মাস ধরে আমরা বেতন ভাতা না পাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিষয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শাজাহান বলেন, ইউজিসির সভায় আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইতিহাস বিভাগটিতে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের বিষয়ে নীতিগত সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত করার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া কর্মচারীদের আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনরত কর্মচারীদের বিষয়ে ইউজিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা আসে নাই।

Leave a Reply