গ্রেপ্তারের ৬ ঘণ্টা পর কথিত বন্দুকযুদ্ধ, যুবক নিহত

গ্রেপ্তারের ৬ ঘণ্টা পর কথিত বন্দুকযুদ্ধ, যুবক নিহত

নোয়াখালীর সেনবাগে গ্রেপ্তারের ছয় ঘণ্টা পর পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ার হোসেন ওরফে ইউসুফ নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৩টার দিকে উপজেলার কেশারপাড় ইউপির বীরকোর্ট গ্রামে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউসুফ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার পূর্ব লাউতলী গ্রামের আবু তাহের ওরফে ওলি উল্যার ছেলে। পুলিশের দাবি, তিনি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেনের ভাষ্যমতে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এসপি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ইউসুফ ডাকাতি, সিঁধেল চুরি, অস্ত্র ও রাতে তার দল ডাকাতি করে বলে স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত পৌনে ৩টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দলের সহযোগিতায় বীরকোর্ট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউসুফের সহযোগীরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।
একপর্যায়ে ইউসুফ পুলিশের কাছ থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে সহযোগীর গুলিতে আহত হন তিনি। তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসপি আলমগীরের দাবি, নিহত ইউসুফ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ডাকাতির ঘটনায় সাতটি, ডাকাতি প্রস্তুতির ঘটনায় তিনটি, সিঁধেল চুরির ঘটনায় একটি ও অস্ত্র আইনে একটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, চারটি তাজা কার্টুজ, সাত রাউন্ড গুলির খোসা, তিনটি রামদা, একটি টর্চলাইট ও একটি গ্যাস লাইটার উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

Leave a Reply