বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না

বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না

বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। একই সঙ্গে তিনি আরো দাবি করেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল বাংলাদেশের নয়, ভারতেরও।

আজ রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ভারতের ৭১তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবধনা অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি ওই দাবি করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আজ আমরা বাংলাদেশে সেই অদম্য চেতনা দেখতে পাই যেখানে কেউ বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জনগণ। বঙ্গবন্ধু যেমন বলেছিল, ‘আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার দেশের মানুষকে ভালোবাসি। সবচেয়ে বড় দূর্বলতা আমি তাদের খুব বেশি ভালোবাসি।’ বাংলাদেশ যখন মুজিববর্ষ পালন করতে যাচ্ছে তখন ভারতেরও দাবি যে তিনি আমাদেরও। আর আমরা বাংলাদেশের প্রতিবেশি হওয়ার সুযোগ পেয়েছি।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের প্রয়াত কূটনীতিক সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে পদ্মভূষণ ও প্রত্নতদত্ত্ববিদ অধ্যাপক এনামুল হককে পদ্মশ্রী পুরস্কার দিতে পেরে ভারত সম্মানিত বোধ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সন্ত্রাসের বিরূদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ (কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়া) নীতি তুলে ধরেন। তিনি আশা করেন, দুই দেশের সম্পর্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত সম্বৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের সেনারা মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। ভারতের এ অবদান বাংলাদেশের জনগণ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয়, ভারতেরও বিজয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ, শীর্ষ ব্যবসায়ী, ঢাকাস্থ বিদেশি মিশনগুলোর রাষ্ট্রদূত/ হাইকমিশনার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং সামরিক-বেসামরিক গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রথমে বাংলাদেশ ও পরে ভারতের জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ভারতের সেনাবাহিনীর মহার রেজিমেন্টাল ব্যান্ড অনুষ্ঠানে দুই দেশের জাতীয় সংগীত ও অন্যান্য সংগীত পরিবেশন করে।

Leave a Reply