ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী লড়ছেন কাউন্সিলর পদে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী লড়ছেন কাউন্সিলর পদে

তার নাম সাহানা আক্তার। মাস্টার্সে পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগে। পড়াশোনার পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়িয়েছেন তিনি। এবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন তিনি। সিটির ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে রেডিও প্রতীকে নির্বাচন করছেন। তিনি জানান, তার বাবা আলহাজ্ব মো. সাইদুর রহমান (সহিদ) গঠনমূলক উন্নয়ন ও সেবার কারণে ও ২৫ বছর ওয়ার্ড কমিশনার ছিলেন।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার শহিদ নগর এলাকা গিয়ে দেখা যায়, সাহানা আক্তার লিফলেট বিতরণ করছেন। ভোটারদের কাছে ভোটপ্রার্থনা করছেন। দেখা যায়, এক বৃদ্ধা তার মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করছেন।

সাহানা জানালেন, নারীরা এখন আর আগের অবস্থানে নেই। দিন দিন উন্নতি করছে তারা। দেশের প্রাধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা নারী। দেশের রাজনীতিসহ বিভিন্ন সেক্টরে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন সফলতার সঙ্গে। এ কারণে ও তার বাবার মতো মানুষের সেবা করার জন্য তিনি কাউন্সিলর পদে লড়ছেন।

তিনি বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হতে পারি তা হলে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবো। মাদকের কারণে ইয়াং শ্রেণি বিপথে যাচ্ছে। আমার অগ্রাধিকার থাকবে মাদক নির্মূলে।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছি তখন ভোটার ভাই বোনদের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখতে পাচ্ছি। এলাকার মেয়ে হিসেবে তারা আমাকে নির্বাচিত করবেন বলে আশা দিচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, এলাকায় গ্যাসের সমস্যা রয়েছে। নির্বাচিত হলে গ্যাস সমস্যা সমাধানেরও চেষ্টা করবো।

সাহানা বলেন, আমি এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়াতে চাই। আমার বাবা আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সহিদ এই এলাকায় ২৫ বছর কমিশনার ছিলেন। আমার বাবার নামে ফাউন্ডেশন রয়েছে। এই ফাউন্ডেশন থেকে এলাকার গরীব দুঃখিদের আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা করা হয়। আমার বাবা বৃহত্তর সূত্রাপুরের ৬৪টি সংগঠনের সাথে সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। আমি নিজেও ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের যাবতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছি।

তিনি বলেন, আমি যদি নির্বাচিত হই তা হলে এই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সব কিছুই করবো। সামাজিক উন্নয়ন ও গরিব দুঃখি মানুষের জন্য আমিও বাবার মতো সার্বিক সেবায় নিয়োজিত থাকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবো। অমিও আমার বাবার মতো এলাকাবাসীর সেবক হতে চাই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি প্রচার চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত কোন বাধার সম্মুখীন হইনি।

Leave a Reply