কাশ্মীর নিয়ে চীনের চাপ, ইমরানকে ডাকতে পারেন মোদি

কাশ্মীর নিয়ে চীনের চাপ, ইমরানকে ডাকতে পারেন মোদি

ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে জাতিসংঘে কাশ্মীর নিয়ে আবারো আলোচনা চায় চীন। তাদের অনুরোধে গতকাল বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কাশ্মীর নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তবে অন্য সদস্য দেশগুলোর বাধায় তেমন বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। ফ্রান্স আগেই জানিয়েছিল, কাশ্মীর নিয়ে তারা পূর্ব অবস্থান বজায় রাখবে। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য, কাশ্মীর ভারত এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। সে কারণে বিষয়টি তাদেরই মিটিয়ে নেওয়া উচিত।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে কাশ্মীর নিয়ে ভারতকে নাস্তানাবুদ করতে চেয়েছিল চীন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও রাশিয়া সেই প্রচেষ্টা রুখে দেয়।

কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের দূরত্ব যতই বাড়ুক না কেন, চলতি বছরের শেষে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে ভারত। এ বছরের শেষে ভারতে আয়োজন হতে চলেছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন-এর (এসসিও) বার্ষিক সম্মেলন। তাতে যোগ দিতেই ইমরানকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা উঠে আসছে।

এই অঞ্চলের অর্থনীতি, রাজনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে ২০০১ সালে সাংহাইয়ে এক সম্মেলনে এসসিও তৈরি হয়। ভারত প্রথমে পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ২০১৭ সালে স্থায়ী সদস্যের পদ লাভ করে। একই বছর সদস্য হয় পাকিস্তানও।

এ বছর প্রথম সেই এসসিও-র বার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করতে চলেছে ভারত। গত রবিবার সেই সূত্রে চার দিনের সফরে দিল্লি পৌঁছেছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ভ্লাদিমির নরভ। সোমবার বিষয়টি টুইট করে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

ইমরানের ভারতে আসার প্রসঙ্গে প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, আয়োজক দেশ হিসেবে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ করার কথা ভারতের। সে কারণে রীতি মেনে তাকে আমন্ত্রণবার্তা পাঠানো হতে পারে।

যদিও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শেষ পর্যন্ত ভারতে যাবেন কি না, তা ঠিক করবে ইসলামাবাদই। ইমরানের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও পাঠাতে পারে তারা।

Leave a Reply