দুই সিটির নির্বাচন পেছানোর রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

দুই সিটির নির্বাচন পেছানোর রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ

হিন্দু সম্প্রদায়ের সরস্বতী পূজার কারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৩০ জানুয়ারির পরিবর্তে এক সপ্তাহ পিছিয়ে দিতে করা রিট আবেদন বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ কারণে রিট আবেদনটি বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে। কাল সোমবার এই বেঞ্চের কার্যতালিকায় থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। এরপর গত ৭ জানুয়ারি রিট আবেদনটি বিচারপতি মো. মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

আজ রবিবার রিট আবেদনটি কার্যতালিকায় থাকবে বলে সেদিন জানিয়েছিলেন আইনজীবী। এ অবস্থায় ওই বেঞ্চের কার্যতালিকায় ছিল রিট আবেদনটি। কিন্তু এ রিট আবেদনের ওপর এই বেঞ্চের শুনানির এখতিয়ার না থাকায় আইনজীবী তা কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন করলে আদালত তা বাদ দিতে আদেশ দেন। এরপর আজই রিট আবেদনটি নেওয়া হয় বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে।

রিট আবেদনে বলা হয়, আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি হিন্দু সম্প্রদায়ের সরস্বতী পূজা। বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিদ্যালয়ে এ পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২৯ জানুয়ারি মূল পূজা হলেও পূজার পঞ্চমী শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরস্বতী প্রতীমা বিসর্জন দেওয়া যায় না। পঞ্চমী শেষ হবে ৩০ জানুয়ারি। এ কারণে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটগ্রহণের দিন ৩০ জানুয়ারিই রেখেছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র তৈরি করা হবে। আর সরস্বতী পূজাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বিধায় বিষয়টি ধর্মীয় আয়োজনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়েছে। এ কারণে ৩০ জানুয়ারির নির্ধারিত ভোটগ্রহণ এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ঢাকার দুই সিটি কের্পারেশনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের তারিখ ৩০ জানুয়ারি নির্ধারণ করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। এই তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র কেনা, দাখিল, বাছাই ও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

Leave a Reply