ইরান ইস্যুতে ইউটার্ন ব্রিটেন-ফ্রান্স-জার্মানির!

ইরান ইস্যুতে ইউটার্ন ব্রিটেন-ফ্রান্স-জার্মানির!

ইরান ইস্যুতে ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ তিন দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি তাদের আগের অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে এসেছে। এবার তারা উল্টো দাবি করেছে, ইরানের কাছে পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এই তিন দেশ যেখানে ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করতে চেয়েছিল সেখানে এখন তারা ইরানকে পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য অভিযুক্ত করছে।

এসব দেশ বলেছে, ইরানের সাম্প্রতিক পরমাণু তৎপরতা জাতিসংঘে পাস হওয়া ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এক চিঠিতে ইউরোপের এ তিন দেশ এই অভিযোগ করে। মহাসচিবের কাছে চিঠি হস্তান্তর করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানির রাষ্ট্রদূত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা ২০১৫ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবের বিরুদ্ধে যায়। ওই প্রস্তাবে পরমাণুবাহী কোনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি না করার জন্য ইরানের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ইরান গত এপ্রিল মাসে সাহাব-৩ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। ইউরোপের তিন দেশ বলছে, ওই ক্ষেপণাস্ত্র পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাবের বিরোধী সে বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদকে জানানোর জন্য তিন দেশ চিঠিতে অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে অনুরোধ করেছে।

তবে ইউরোপের তিন দেশের এই দাবির ব্যাপারে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে নি।

এর আগে ইরান এ ধরনের অভিযোগ সবসময় নাকচ করে এসেছে। ইরান বলেছে, তেহরানের হাতে কোনও পরমাণু অস্ত্র নেই এবং এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র বানানোর চিন্তাও করছে না। ইরান সবসময় বলছে, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিতান্তই অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষার বিষয় এবং এ নিয়ে কারও সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হবে না।

Leave a Reply