ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার আগে মদ পানে বাধ্য করা হয়েছিল তরুণীকে

ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার আগে মদ পানে বাধ্য করা হয়েছিল তরুণীকে

পেশায় ভেটেরিনারি সার্জন এক তরুণীকে (২৬) গণধর্ষণ করে হত্যার পরে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গানায়। এই ঘটনায় ভারত জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, ওই নারী ডাক্তারকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে খুন করার আগে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মদ খাওয়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে এ কথা জানা গেছে। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা হুইস্কির বোতলে কিনেছিল। সেই হুইস্কি কোল্ড ড্রিঙ্কসের সাথে মিশ্রিত করে ওই নারী চিকিৎসককে পানীয় খেতে বাধ্য করা হয়। তারপর ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা।

বৃহস্পতিবার সকালে তেলেঙ্গানার ভেটেরিনারি সার্জনের মরদেহ পাওয়া যায় হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু জাতীয় সড়কের উপর একটি কালভার্টের নিচে। এই ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাসা থেকে তাদের গ্রেফতারের পর আদালতে পেশ করা হয়। তাদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ এই ঘটনায় জানতে পেরেছে, সামসাবাদ টোল প্লাজার কাছের একটি দোকান থেকে হুইস্কির বোতল, কিছু স্ন্যাকস এবং একটি কোল্ড ড্রিঙ্ক কিনেছিল। অভিযুক্তরা সবাই মদ্যপ ছিলেন। মেয়েটিকে গণধর্ষণের সময় মুখ এবং নাক চেপে রাখার কারণে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়। অভিযুক্তরা তখন পেট্রল কিনে তার দেহ পুড়িয়ে দেয়।

এই অপরাধের পরে প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আরিফ ও অন্য অভিযুক্তরা মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। টোল প্লাজার কর্মীরা ওই নারীর দগ্ধ দেহ পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন পুলিশকে। রাজেন্দ্রনগরের এক ট্রাক মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযুক্তদের গতিবিধি জানতে পারেন তদন্তকারীরা।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া

Leave a Reply