রাজনীতিকে জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলুন : কাদের

রাজনীতিকে জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলুন : কাদের

রাজনীতিকে কেনাবেচার পণ্য না বানিয়ে জনগণের ভাগ্য গড়ার হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ ও উত্তরের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে এই আহ্বান জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতি কেনাবেচার পণ্য নয় এটা আমাদের শেখ হাসিনা শিখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যা শিখিয়ে গেছেন এখন তার কন্যা তা শেখাচ্ছেন। তিনি আমাদের এটা অনুসরণ করতে বলেছেন।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভালোবাসা রাজনীতিবিদের জন্য বড় সম্পদ। এটা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনে রাখতে হবে। সততা কাকে বলে শেখ হাসিনা তার উদাহরণ।
বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের সততার নানা উদাহরণ দিতে গিয়ে কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহেনা লন্ডনে বাসে করে বসবাস করেন। এত সিম্পল লাইভ লিড করেন। সজীব ওয়াজেদ জয় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তিনি প্রকাশ্যে আসেন না। তিনি হাওয়া ভবন করেননি। বাংলাদেশে নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলছেন। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল আন্তর্জাতিক অটিজম বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন জাতিসংঘে। আরেকজন ববি সিদ্দিকী। তিনি কাজ করে খান। দেশের যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলছেন। আর টিউলিপ সিদ্দিক লন্ডনে এর আগে এমপি হয়েছেন। আবার সামনে ১২ তারিখ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী। আশা করি তিনি এবারও বিজয়ী হবেন।
বঙ্গবন্ধুর পরিবার এই দেশে সততার রাজনীতির প্রতীক বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
বঙ্গবন্ধুর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমরা করি বক্তৃতা। আমরা শিক্ষিত সমাজ দুর্নীতি করি। কৃষক, মজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ দুর্নীতি করে না। যেখানে যান সেখানে সেখানেই দুর্নীতি। পাঁচভাগ শিক্ষিত সমাজ দুর্নীতি করে।
বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার জীবনধারা থেকে সততার শিক্ষা নিয়ে রাজনীতিকে মানুষের জন্য কাজ করার হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটি নির্বাচন বেশি দূরে নয়। এই সম্মেলন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে। সিটি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার শপথ নিতে হবে।
এর আগে সকাল ১১টার দিকে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Leave a Reply