৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের সামনে রকেট হামলা

৯/১১ বার্ষিকীতে কাবুলে মার্কিন দূতাবাসের সামনে রকেট হামলা

৯/১১ হামলার ১৮ তম বার্ষিকী আজ। আর এই দিনে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মার্কিন দূতাবাসের সামনে রকেট হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। বুধবার ভোররাতে এ হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ৯/১১ হামলার সেই বার্ষিকীতেই মার্কিন দূতাবাসকে টার্গেট করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। প্রাণহানির খবরও মেলেনি।

জানা গেছে, বুধবার ভোররাতে কাবুলের মার্কিন দূতাবাসের সামনে জোরালো বিস্ফোরণে শব্দ শোনা যায়। দূতাবাস চত্বর ঢেকে যায় ধোঁয়ায়। মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মী ফোনে বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে, তিনিও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। সরকারিভাবেও এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর জানানো হয়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তালিবানদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বন্ধ করে দেওয়ার পর, কাবুলে এটাই প্রথম বড় হামলা। যদিও, লাগাতার ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলেছে তালিবান জঙ্গিরা। যার জেরে তালিবানদের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।

গত সপ্তাহেই দুটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে কাবুলে বেশ কয়েক জন সাধারাণ নাগরিক নিহত হন। হামলায় শহিদ হন ন্যাটোর দুই মার্কিন জওয়ানও। যে কারণে ইউএস-তালিবান আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ট্রাম্প। তার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ধীরে ধীরে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেবেন। কিন্তু, গত সপ্তাহে তালিবানি ওই হামলার পরেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলায় হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার। এই হামলায় ২,৯৯৭ জন নিহত হন। ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। ধ্বংস হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের টুইন টাওয়ার, যা নিয়ে আমেরিকার গর্ব ছিল। এ ঘটনার জন্য বরাবরই আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দাকে দোষারোপ করে আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যার মাস্টারমাইন্ড ওসামা-বিন-লাদেন। এই দিনটি যে কারণে আমেরিকার নাগরিকদের কাছে অন্তত সংবেদনশীল।

Leave a Reply