ঐক্যফ্রন্টের সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার দাবি মানা সম্ভব না: কাদের

ঐক্যফ্রন্টের সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার দাবি মানা সম্ভব না: কাদের

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দ্বিতীয় দফা সংলাপেও দুই পক্ষ বিরোধ মিটিয়ে একমত হতে পারেনি। সংলাপে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা সংসদ ভেঙে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে।

বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতে হবে। তবে ঐক্যফ্রন্ট সংসদ ভেঙে দিয়ে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তাব দেয়।

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানান, এই প্রস্তাব তারা নাকচ করেছেন। বলেছেন, ‘উই উইল নট গো বিয়ন্ড কনস্টিটিউশন।’

ঐক্যফ্রন্টের প্রস্তাবকে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার কৌশল হিসেবে দেখছেন কাদের। বলেন, এতে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে আর এ সুযোগে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অংশ নেয়া দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম গণভবন থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোন সমাধান হয়নি। আরো সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। দুই পক্ষই তাদের অবস্থানে অনড়।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংলাপ শেষ হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার পর শুরু হয়ে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে এ সংলাপ শেষ হয়।

এতে ১০ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। ড. কামালের লিখিত এসব প্রস্তাবের বিষয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা তাদের বক্তব্য দিয়েছেন।

তারা বলেছেন, সংবিধানের আলোকেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ সংবিধানের বাইরে আপনি এসব প্রস্তাব করছেন কেন?

Leave a Reply