বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে : কাদের

বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের ভোট দিতে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে নির্বাচনকে জনগণের কাছে এবং বিদেশিদের কাছে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে। এটি তাদের নীলনকশা।

তিনি আজ সোমবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় একথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বরিশালে বিএনপির প্রার্থী মজিবুর রহমান সারোয়ার তার বাড়ির সামনে গত রাত থেকে সকাল পর্যন্ত যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন; তা দেখে বোঝা যায় তিনি নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তারা আগেই নির্ধারণ করে রেখেছিলেন সকালে কি বলবেন আর দুপুরে কি বলবেন এবং নির্বাচন শেষ হলে কি বলবেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজশাহীর বিএনপি প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ভোট না দিয়ে সারাদিন নাটক করেছেন।

তিনি বলেন, সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করাই ছিল বিএনপির মূল টার্গেট। আজ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে যা দিবালোকের মতো পরিষ্কার।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা মিথ্যা কথাবার্তা ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উস্কানির সৃষ্টি করেছে। বিএনপি নেতারা নয়াপল্টনে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়িয়েছেন। নিজেদের লোক দিয়ে গণ্ডগোল সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন।

জয়ের প্রত্যাশা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজশাহী এবং বরিশালে ইভিএম রেজাল্টে আমরা এগিয়ে। সিলেটে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত আমরা তিন সিটিতেই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

উল্লেখ্য, রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ভোটারের তুলনায় বেশি ভোট পড়েছে অভিযোগ করে ভোট দেননি বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। একইসঙ্গে জাল ভোট দেয়ার প্রতিবাদে নগরীর ইসলামিয়া কলেজ কেন্দ্রের মাঠে অবস্থান নেন তিনি। সেখানে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করেন বুলবুল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য রাশেদুল আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাকসহ দলের সিনিয়র নেতারা।

Leave a Reply