1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল এক কিস্তির অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার ক্রেতারা সিলেট টেস্টে মুমিনুলের বদলি কে, জানাল বিসিবি মুক্তির আগেই নতুন রেকর্ড গড়েছে সিনেমা ‘কিং’ বৃষ্টির সঙ্গে বাংলাদেশকে নিয়ে খেলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজও দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ করতে চাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা এইচএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে ঢাকা, তলানিতে বরিশাল বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ফের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ-সংঘর্ষে ১০ শিল্পপুলিশসহ অর্ধশতাধিক পোশাকশ্রমিক আহত

পদ্মা সেতুর ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার দৃশ্যমান

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৫০ Time View

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর ৭ ও ৮ নম্বর পিলারের ওপর বসল ৩৪তম ‘টু-এ’ স্প্যান। এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৫ হাজার ১শ মিটার বা ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার। ৩৩তম স্প্যান বসানোর ষষ্ঠ দিনের মাথায় বসানো হলো এ স্প্যানটি।
আজ রবিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৭ মিনিটের দিকে স্প্যান বসানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আবদুল কাদের।

এর আগে শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি বহন করে পৃথিবীর সবচয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওয়ানা দেয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর কাঙ্ক্ষিত পিলারের কাছে পৌঁছে ৩ হাজার ৬শ টন সক্ষমতার ক্রেনটি। সেখানে সারারাত অবস্থান করে। রবিবার সকালে ভাসমান ক্রেনটি নোঙর ও পজিশনিং শেষে পিলারের ওপর রাখা হয় স্প্যানটিকে।
প্রকৌশলীরা জানান, স্প্যান বসানোর জন্য দুদিন সময় নেওয়া হয়। প্রথমদিন বৈরী আবহাওয়ার জন্য পিলারের ওপর বসানো যায়নি। কিন্তু পরদিন অনুকূল আবহাওয়া থাকায় দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সফলভাবে বসানো সম্ভব হয়।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে গৃহীত এই প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮১ দশমিক ৫০ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ৫৫ ভাগ। নদী শাসন কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৭৪ দশমিক ৫০ ভাগ। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ২৩ হাজার ৭৯৬ দশমিক ২৪ কোটি টাকা।
মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) এবং নদী শাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ