সূচকের সামান্য উত্থান, কমেছে লেনদেন

সূচকের সামান্য উত্থান, কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) লেনদেনের শুরুতে দেশের শেয়ারবাজারে বড় উত্থানের আভাস পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত মূল্য সূচকের সামান্য উত্থান হয়েছে। সূচক সামান্য বাড়লেও দরপতন হয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।

এদিন লেনদেনের শুরুতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ে। এতে প্রথম মিনিটের লেনদেনেই ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। প্রথম এক ঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। এতে বেলা ১১টা ৩ মিনিটে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

কিন্তু এর পরেই শেয়ারবাজারে ছন্দপতন ঘটে। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নেয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দরপতন হতে থাকে। এতে আটকে যায় সূচকের বড় উত্থান। এমনকি এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল পতনের তালিকায় নাম লেখাবে শেয়ারবাজার। অবশ্য দিনের লেনদেন শেষে তা হয়নি।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৫২ পয়েন্টে উঠে এসেছে। এর মাধ্যমে কঠোর বিধিনিষেধের পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসই প্রধান সূচক বাড়ল ১৬৩ পয়েন্ট।

প্রধান সূচকের পাশাপাশি বেড়েছে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক। এই সূচকটি আগের দিনের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৯৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে। তবে ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

প্রধান মূল্য সূচক বাড়লেও দিনের লেনদেন শেষে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান পতনের তালিকায় নাম লিখিয়েছে। ডিএসইতে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১০৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২৩৭টির এবং ২৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ২ হাজার ১০৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনেদেন কমেছে ২৬২ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ২১৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল ফিড ৫০ কোটি ২৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৫০ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স।

এ ছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ওরিয়ন ফার্মা, ন্যাশনাল পলিমার, ফরচুন সুজ, সামিট পাওয়ার, কনফিডেন্স সিমেন্ট, পাওয়ার গ্রিড এবং বিবিএস কেবলস।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্য সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৪০ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১০৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেয়া ৩০৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯১টির এবং ৩৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অর্থ বাণিজ্য শীর্ষ খবর