বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঈদের পর

বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঈদের পর

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কয়েক দফা ছুটি বাড়ানোর পর আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার কথা রয়েছে। তার আগে ১৭ মে আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার কথা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যাবে কি না, তা ঠিক করতে আজ বুধবার (৫ মে) বৈঠকে বসেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা।

বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করণীয় তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন তারা। ফলে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ মে আবাসিক হল খুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ভিসি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আগামী জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২০-২১ সালের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে না বলে জানান তারা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য পরিষদের সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর। তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আমাদের উপাচার্যদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন পর্যন্ত পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। লকডাউন শেষ হওয়ার পর আমাদের উপাচার্যদের মধ্যে পুনরায় বৈঠক হবে। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। এছাড়া সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়টিও রয়েছে। লকডাউন পুনরায় বাড়ে কি না সেটিও বিবেচনায় রয়েছে।

এছাড়া করোনা পরিস্থিতি, টিকা কার্যক্রমসহ করোনাকালীন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জানা গেছে, বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না তা নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলা এবং অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে বৃহস্পতিবার (৬ মে)।

বাংলাদেশ শীর্ষ খবর