করোনার মৃত্যুপুরী ভারত? ২৪ ঘণ্টায় ১৯৪ জনের মৃত্যুর রেকর্ড!

করোনার মৃত্যুপুরী ভারত? ২৪ ঘণ্টায় ১৯৪ জনের মৃত্যুর রেকর্ড!

ভয়াবহ হয়ে উঠছে ভারতের করোনা পরিস্থিতি। গতকাল একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড দেখলো ভারত। দেশটিতে সোমবার মৃত্যুবরণ করেছেন ১৯৪ জন। মোট মৃত্যু বেড়ে এক হাজার ৫৮৩ জনে দাঁড়াল। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যাটা এক লাফে ৩ হাজার ৮৭৫ জন বেড়েছে। যা আগের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে। প্রশ্ন উঠছে তবে কি করোনার পরবর্তী মৃত্যুপুরী ভারত?

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৪৩৩। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। এক দিনে মৃত্যুর হিসেবে এটাও সর্বোচ্চ। ফলে ভারতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৬৮। কিছুটা স্বস্তি এই, অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। মোট ১২ হাজার ৭২৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও দিল্লির। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪৫ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৪৫৪১। ফলে দেশের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যায় এখনও শীর্ষে মহারাষ্ট্র। আবার, করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে এই রাজ্যেই। ৫৮৩ জন মারা গিয়েছেন এখনও পর্যন্ত। সুস্থ হয়েছেন ২৪৬৫ জন।

মহারাষ্ট্রের পরই আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গুজরাত। এখনও পর্যন্ত ৫৮০৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩১৯ জনের। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। মোট আক্রান্ত ৪৮৯৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের। তবে পিছিয়ে নেই তামিলনাড়ু, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশ। তামিলনাড়ুতে মোট আক্রান্ত ৩৫৫০। রাজস্থানে আক্রান্ত ৩০৬১, উত্তরপ্রদেশে ২৭৬৬ এবং মধ্যপ্রদেশে ২৯৪২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী,পশ্চিমবঙ্গে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২৫৯। মৃতের সংখ্যা ১৩৩। সোমবার নবান্ন থেকে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ১২৫৯ জন। চিকিৎসার পর ছাড়া পেয়েছেন ২১৮ জন। রাজ্যে সোমবার পর্যন্ত সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০৮। মুখ্যসচিব ওই দিন জানান, ১২৫৯ জন আক্রান্তের মধ্যে করোনার কারণে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬১ জনের।

সূত্র- আনন্দবাজার।

আন্তর্জাতিক