৪ লাখ পরিবারের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে

৪ লাখ পরিবারের কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রায় ৭০ লাখ নগরবাসীর মধ্যে এনজিওদের পরিসংখ্যাণে প্রায় ১৪ লাখ ৪০ হাজার মানুষ হতদরিদ্রের আওতায় পড়ে। কিন্তু আমাদের পরিসংখ্যানে প্রায় ২০ লাখের মত মানুষ। পরিসংখ্যানগত অসাম্যঞ্জসতা থাকার পরও ইতোমধ্যে সরকারি, চসিক পরিবার ও ব্যক্তি সহায়তায়  প্রায় ৪ লাখ পরিবারের  কাছে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। চসিক মেয়র বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে মহাসংকটকাল অতিক্রম করছি আমরা। এ দূর্যোগকালীন সময়ে আমরা কোনভাবেই যেন সংকীর্ণতা পোষণ না করি। মানবিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সকলের পাশে দাঁড়াতে হবে।

বিবৃতিতে আ জ ম নাছির উদ্দীন আরও বলেন, সরকারি ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থাপনায় কোনোরকম অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি অপেক্ষা করছে। এ কাজে নিয়োজিতদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ত্রাণ প্রাপ্তিতে অসন্তোষ নিয়ে কেউ কেউ আমাদের কাছে যোগাযোগ করে বলেছেন তাঁরা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারছেন না। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের চূড়ান্ত নির্দেশনা হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ত্রাণ উপহার বন্টনের ব্যাপারে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। এখনও পর্যন্ত যারা তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারেননি অবশ্যই স্ব স্ব ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সাথে যোগাযোগ করে নিজেদের নাম অন্তর্ভূক্ত করুন।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে কোন ধরনের ঘাটতি নেই। যারাই ত্রাণ পাওয়ার অগ্রাধিকারে আছেন তারা যদি নিজ দায়িত্বে তালিকাভুক্ত না হোন তাহলে এ দায়িত্ব জনপ্রতিনিধিদের উপর বর্তাবে না। গরীব ও অস্বচ্ছল পরিবারের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছানো স্থানীয় জনপ্রনিধির দায়িত্ব।

বাংলাদেশ