অবশেষে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবক ধরা, জরিমানা

অবশেষে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবক ধরা, জরিমানা

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সবাইকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সেই নির্দেশনা না মেনে নারায়ণগঞ্জ থেকে রাজধানীর এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে আসতে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া শাহজালাল নামে এক যুবককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল বুধবার পুরান ঢাকার চানখাঁরপুলে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন শাহজালাল নামে এই ব্যক্তি।

এছাড়া র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক ঘণ্টার এ অভিযানে অযথা বাইরে বের হওয়ায় পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ১৪ জনকে ৫৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা হয় তিনটি গাড়ি।

এদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসতে শাহজালাল তার গাড়ির সামনে বাঁধা লাল কাপড়ে লিখেছিল ‘জরুরি ঔষধ সরবরাহ’। মূলত আইন-শৃংখলা বাহিনীর চোখে ধুলো দিতে এটা ছিল তার প্রতারণার একটি কৌশল।

তবে নিজের কৌশলেই সে ধরা পরে। সন্দেহ হওয়ায় গাড়ি থামিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন র‌্যাব সদস্যরা। পরে কথায় কথায় বেরিয়ে আসে, ওষুধ তো দূরের কথা, জরুরি কোনো পণ্য সরবরাহের সঙ্গেও সম্পর্ক নেই তার। রাজধানীর গাবতলীতে এক আত্মীয়ের বাসায় যাওয়ার জন্য তিনি এ প্রতারণার আশ্রয় নেন। 

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল ও শাঁখারি বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। দুঃখের বিষয় হলো, এত প্রচারের পরও মানুষ সচেতন হচ্ছে না। 

যারা জরুরি কোনো প্রয়োজনে বের হচ্ছেন, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু প্রচুর মানুষ কোনো কারণ ছাড়াই অযথা বাইরে বের হচ্ছেন। এমন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট জানান, জরুরি সেবার জন্য ছাড় দেওয়া আছে বলে কিছু মানুষ সেই সুবিধার অপব্যবহার করছেন। যানবাহনে ভুয়া স্টিকার লাগিয়ে চলাফেরা করছেন। ঢাকায় বাইরে থেকে কোনো যান ঢোকার কথা নয়। অথচ নারায়ণগঞ্জের মতো অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকেও যানবাহন আসছে। এমন তিনটি গাড়ি এক মাসের জন্য জব্দ করা হয়েছে। 

গতকাল র‌্যাব ১০-এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালিত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

বাংলাদেশ